কাবুলিওয়ালা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-২য় অংশ

শুনিয়া মিনি শ্বশুর নামক কোনো-এক অপরিচিত জীবের দুরবস্থা কল্পনা করিয়া অত্যন্ত হাসিত ।   এখন শুভ্র শরৎকাল । প্রাচীনকালে এই সময়েই রাজারা দিগ্‌বিজয়ে বাহির হইতেন । আমি কলিকাতা ছাড়িয়া কখনো কোথাও যাই নাই , কিন্তু সেইজন্যই আমার মনটা পৃথিবীময় ঘুরিয়া বেড়ায় । আমি যেন আমার ঘরের কোণে চিরপ্রবাসী , বাহিরের পৃথিবীর জন্য আমার সর্বদা মন … বিস্তারিত পড়ুন

প্রিন্সিপাল | মাখরাজ খান

কথাটা শুনেই জোনাব আলীর মুখ বিকৃত হয়ে গেলো- বলে কি? এত কাজ কি একদিনে করা সম্ভব? আতা, অফিস সহকারী আতাউর তার পাশের চেয়ারে বসা ছিলো-সে বললো সম্ভব না হলে যাও প্রিন্সিপালকে বলে এসো। -হ্যাঁ তাই যাব। সারা বছরের কাজ কি একদিনে করা যায়? প্রিন্সিপাল আজহারুল ইসলাম পাশের রুমেই ছিলেন-তিনি কলিং বেল বাজালেন। বকুলি গিয়ে হাজির … বিস্তারিত পড়ুন

নিস্তারণ | শাহ নেওয়াজ চৌধুরী

রশীদ জমাদ্দারের নামের ‘জমাদ্দার’ বিশেষণটি তার অলৌকিক ক্ষমতাপ্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে রাতারাতি উঠে গেল। নামের ‘জমাদ্দার’ বিশেষণটির স্থলে ‘ফকির’ শব্দটি বসে তার নাম দাঁড়াল রশীদ ফকির। একদিন শেষরাতের দিকে রশীদ জমাদ্দার ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ল। তার বউ রাহীর ঘুম বেশ পাতলা। কোলের বাচ্চাটা বেশ জ্বালায়। মায়ের স্তনের বোঁটা মুখে নিয়ে ঘুমানোর অভ্যেস ওর। বাচ্চাকে দুধ দিতে … বিস্তারিত পড়ুন

আসলে কী ঘটেছিল | ইমদাদুল হক মিলন

এই বাড়ির কাজের লোকটির নাম বারেক। তিরিশ একত্রিশ বছর বয়স। এখনও বিয়ে করেনি। রোগা পটকা কেংলা ধরনের। চেহারায় মিষ্টতা আছে, চোখ দুটো সুন্দর। এক বালতি পানি এনে দরজার বাইরে একপাশে রাখল সে। সন্ধ্যা প্রায় হয়ে আসছে। তবু বালতি ভরা টলটলে পরিষ্কার পানিটা দেখতে পেলাম। বারেককে জিজ্ঞেস করলাম, এখানে এভাবে বালতি ভরা পানি রাখলে কেন? বারেক … বিস্তারিত পড়ুন

কে আসে | ইমদাদুল হক মিলন

কে আপনি, কে? এই যে, এই যে আপনি, কালো আলখাল্লা পরে আমার বুক বরাবর এসে দাঁড়িয়েছেন। কে আপনি? আপনার মুখটা আমি দেখতে পাচ্ছি না। আগের দিনকার শাহজাদিদের মতো কালো নেকাবে মুখ ঢেকে রেখেছেন, কিন্তু আকৃতিতে আপনি বিশাল। কোনো মেয়ে এত দীর্ঘাঙ্গী হয় না। আপনি কে? কে আপনি? আরে, চট করে আবার কোথায় চলে গেলেন? এই … বিস্তারিত পড়ুন

প্রতিবেশী || আহসান হাবীব

— পাঁচ ইঞ্চি দেয়াল ভেদ করে দেখা যায়, এমন এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে একজন। — কে সে? নিশ্চয়ই বড় বিজ্ঞানী? — তা তো বটেই। — তা জিনিসটা কি? মানে আবিষ্কারটা? — কেন জানালা! ছোটবেলায় এই জোকটা ছিল জালাল সাহেবের প্রিয় একটা জোক। আর বড় বেলায় এসে এই জোকই এখন যেন বিগ ট্র্যাজেডি হয়ে দাঁড়িয়েছে! বিষয়টা … বিস্তারিত পড়ুন

কঙ্কাল-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-১ম অংশ

আমরা তিন বাল্যসঙ্গী যে ঘরে শয়ন করিতাম তাহার পাশের ঘরের দেয়ালে একটি আস্ত নরকঙ্কাল ঝুলানো থাকিত । রাত্রে বাতাসে তাহার হাড়গুলা খট্‌খট্‌ শব্দ করিয়া নড়িত । দিনের বেলায় আমাদিগকে সেই হাড় নাড়িতে হইত । আমরা তখন পণ্ডিত-মহাশয়ের নিকট মেঘনাদবধ এবং ক্যাম্বেল স্কুলের এক ছাত্রের কাছে অস্থিবিদ্যা পড়িতাম । আমাদের অভিভাবকের ইচ্ছা ছিল আমাদিগকে সহসা সর্ববিদ্যায় … বিস্তারিত পড়ুন

কঙ্কাল-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-২য় অংশ

বৎসরের জীবন্ত, যৌবনতাপে উত্তপ্ত আরক্তিম রূপখানি একবার তোমার চোখের সামনে দাঁড় করাই , বহুকালের মতো তোমার দুই চক্ষে নিদ্রা ছুটাইয়া দিক , তোমার অস্থিবিদ্যাকে অস্থির করিয়া দেশছাড়া করি । ” আমি বলিলাম , “ তোমার গা যদি থাকিত তো গা ছুঁইয়া বলিতাম , সে বিদ্যার লেশমাত্র আমার মাথায় নাই । আর তোমার সেই ভুবনমোহন পূর্ণযৌবনের … বিস্তারিত পড়ুন

ইচ্ছাপূরণ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-১ম পাঠ

সুবলচন্দ্রের ছেলেটির নাম সুশীলচন্দ্র । কিন্তু সকল সময়ে নামের মতো মানুষটি হয় না । সেইজন্যই সুবলচন্দ্র কিছু দুর্বল ছিলেন এবং সুশীলচন্দ্র বড়ো শান্ত ছিলেন না । ছেলেটি পাড়াসুদ্ধ লোককে অস্থির করিয়া বেড়াইত , সেইজন্য বাপ মাঝে মাঝে শাসন করিতে ছুটিতেন ; কিন্তু বাপের পায়ে ছিল বাত , আর ছেলেটি হরিণের মতো দৌড়িতে পারিত ; কাজেই … বিস্তারিত পড়ুন

ইচ্ছাপূরণ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-২য় পাঠ

সুশীল ভাবিয়াছিল, বাপের মতো স্বাধীন হইলে তাহার সমস্ত ছেলে বন্ধুদের সঙ্গে সমস্তদিন ধরিয়া কেবলই ডুডু ডুডু শব্দে কপাটি খেলিয়া বেড়াইবে; কিন্তু আজ রাখাল গোপাল অক্ষয় নিবারণ হরিশ এবং নন্দকে দেখিয়া মনে মনে বিরক্ত হইয়া উঠিল; ভাবিল, ‘চুপচাপ করিয়া বসিয়া আছি, এখনই বুঝি ছোঁড়াগুলো গোলমাল বাধাইয়া দিবে।’ আগেই বলিয়াছি, বাবা সুবলচন্দ্র প্রতিদিন দাওয়ায় মাদুর পাতিয়া বসিয়া … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!