বুড়ো

প্রখ্যাত গোয়েন্দা আহমেদ শরীফ রাতের খাবার খেতে এসেছিলেন তাঁর বন্ধু বদরুদোজ্জা সাহেবের সাথে, রাজেন্দ্রপুর শহরের অভিজাত রেস্তোঁরা, ‘ক্যাফে পাতিসেরি’-তে। সুস্বাদু বিদেশী খাবারের জন্যে এই ক্যাফের সুনাম আছে উচ্চবিত্তদের মাঝে। বদরুদোজ্জা সাহেব ক্যাফে পাতিসেরির বেশ ভক্ত। তিনি এখানকার শীতল, ধীর পরিবেশটা বড় পছন্দ করেন। আরো পছন্দ করেন এখানকার পশ্চিমা খাবারগুলো। সেই মুহুর্তে বদরুদোজ্জা সাহেব আহমেদ শরীফকে … বিস্তারিত পড়ুন

জাত গোক্ষুর – ০৭–মাসুদ রানা

ডাফু সালজুনাস তাঁর ভগড়বীপতি জেনারেল ভালটোনার বাড়িতে থেকে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু সেটা অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে দেখা দিতে পারে ভেবে নিষেধ করল রানা। কোনও কারণে জেনারেলের ওপর বিশ্বাসের অভাব দেখা দিলে মারকাস বিনা নোটিশে তাঁর বাড়িতে হানা দিতে পারে। হোটেলে ফিরে নিজেদের স্যুইটেই ডিনার খেলো ওরা। সালজুনাস তাঁর কামরায় বিশ্রাম নিতে চলে গেলেন। রানাও নিজের রূমে … বিস্তারিত পড়ুন

জাত গোক্ষুর – ০৮–মাসুদ রানা

  ‘আমি কিন্তু ব্যাপারটা কিছুই বুঝতে পারছি না,’ বিশাল বাড়ির সুসজ্জিত হলরূমে ওদেরকে নিয়ে বসার পর বললেন জেনারেল ডোনাল্ডিস সেরাফ। ‘কাউরিস জানিয়েছে এটা একটা প্রাইভেট মীটিং হতে যাচ্ছে, জেনারেল ভালটোনা।’ আসার পথে জেনারেল ভালটোনাকে ট্যাক্সিতে তুলে নিয়েছে রানা, জানে তা না হলে জেনারেল সেরাফকে ষড়যন্ত্রটা বিশ্বাস করানো যাবে না। বিদেশী ও অচেনা দুই তরুণ-তরুণীর কথা … বিস্তারিত পড়ুন

জাত গোক্ষুর – ০৯–মাসুদ রানা

  ফিরে এসে ওরা দেখল হোটেল স্যুইটের সিটিংরূমে পায়চারি করছেন ডাফু সালজুনাস। পরিষ্কারই বোঝা গেল, দেরি হচ্ছে দেখে তিনি ধরে নিয়েছিলেন যে ওরা আর ফিরছে না। ‘জেনারেলরা সবাই ভাল আছেন?’ জিজ্ঞেস করলেন, চেহারায় স্বস্তির ছাপ। ‘হ্যাঁ, সবাই ভাল,’ বলল রানা। ‘আর অ্যালেক্সিস?’ ‘তিনিও বহাল তবিয়তে আছেন,’ তারানা বলল। ‘আমাদেরকে আসলে ভাগ্য সাহায্য করেছে। কেউ খুন … বিস্তারিত পড়ুন

জাত গোক্ষুর – ১০–মাসুদ রানা

সকালবেলার কচি রোদে মাইকোনোস হারবার যেন প্রকাণ্ড একটা নীলা। প্রায় বন্ধ একটা হারবার, পাহাড়-প্রাচীরের ভেতর পানিতে ভাসছে অসংখ্য মাছ ধরার ছোট ছোট নৌকা আর লঞ্চ, বাইরে নোঙর ফেলে আছে দুটো প্রকাণ্ড ক্রুজ শিপ। মাইকোনোসে জাহাজ ভেড়ে না। নড়বড়ে গ্যাঙপ্ল্যাঙ্ক বেয়ে নামতে হয় আরোহীদের, হাতে থাকে লটবহর, ডুবু-ডুবু লঞ্চ প্রতিবার অল্প কিছু লোককে তীরে পৌঁছে দেয়। … বিস্তারিত পড়ুন

জাত গোক্ষুর – ১১–মাসুদ রানা (শেষ)

  ‘ওর জ্ঞান ফিরছে।’ আওয়াজটা অস্পষ্ট, যেন পাশের কামরা থেকে ভেসে এলো রানার কানে। মিট-মিট করে চোখ খুলল, তবে দৃষ্টি পরিষ্কার হলো না। আবছা মত তিনটে মূর্তি দেখতে পেল নিজের চারপাশে। ‘হ্যাঁ, ঠিক আছে, চোখ খোলো।’ গলাটা চেনা। মারকাস কথা বলছে। শব্দের উৎসের দিকে ফিরে দেখার চেষ্টা করল রানা। ওর দৃষ্টিতে পরিষ্কার ফুটল চেহারাটা। খাড়া … বিস্তারিত পড়ুন

খুনের দায় – চতুর্থ পরিচ্ছেদ

লাঞ্চের পর একটানা সন্ধে পর্যন্ত ফাইল দেখে আজকের মত কাজ শেষ করল রানা। মনের মধ্যে খচ্‌ খচ্‌ করছে সেই দুপুর থেকে। সন্ধ্যা নামতে গিলটি মিয়া ও ক্যাভিন হাওয়ার্ডকে নিয়ে বের হলো ও। প্র মে নিউ ইয়র্ক টাইমসের অফিসে গিয়ে বন্ধুর সাহায্যে পুরনো কাগজ বের করে প্লেনক্রাশের নিউজটা মন দিয়ে পড়ল ও আগাগোড়া। পুড়ে ছাই হয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

খুনের দায় – পঞ্চম পরিচ্ছেদ (শেষ)

রাত দুটো দশে ফোন করল রানা লইয়ার অ্যাডাম ক্লিপটনের বাড়ির নম্বরে। রানার গলা শুনেই মহা খাপ্পা হয়ে উঠল আইনজীবী, ‘মিস্টার মাসুদ রানা, রাত কয়টা বাজে এখন-আপনার কি সময়জ্ঞান বলতে…’ ‘দুটো বেজে এগারো,’ বলল রানা। ‘আপনার সঙ্গে এখনই একবার দেখা হওয়া দরকার আমার। আশাকরি রবার্ট স্ট্যানলির মৃত্যুর খবরটা জানা আছে আপনার?’ ‘পুলিশ জানিয়েছে আমাকে। ওর লাশের … বিস্তারিত পড়ুন

জাত গোক্ষুর – ০১–মাসুদ রানা

এক পলকের জন্যে চোখ মেলে প্রথমেই শকুনটাকে দেখতে পেল মাসুদ রানা, আকাশে ডানা মেলে উড়ছে, লম্বা গলা আরও লম্বা করে লোলুপদৃষ্টিতে তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করছে সম্ভাব্য খোরাক হিসেবে ওকে বিবেচনা করা যায় কিনা। রোদে চোখ ধাঁধিয়ে যাওয়ায় পাতা বন্ধ করে ফেলেছে, তারপরও শকুনটার কালো আকৃতি দেখতে পাচ্ছে ও। মুখের ভেতর পুরানো কাগজের কটু স্বাদ, কানে … বিস্তারিত পড়ুন

জাত গোক্ষুর – ০২–মাসুদ রানা

লম্বা উইঢিবির গায়ে হেলান দিয়ে বসে আছে, মাথাটা বার কয়েক নেড়ে প্রিয় বন্ধু জুলহাস কায়সারের ছিনড়বভিনড়ব লাশটার কথা মন থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করল রানা। ধীরে ধীরে দাঁড়াল, রডটা হাতে। বিধ্বস্ত প্লেনটার দিকে একবারও না তাকিয়ে হাঁটা ধরল-জানে না কোনদিকে যাচ্ছে, ওদিকে কোনও পথ পাওয়া যাবে কি না। ফাঁকা জায়গাটা পেরিয়ে এল। ঝোপের কাঁটা ট্রাউজারে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!