প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বী–সপ্তম অংশ

বেশ কিছুক্ষণ কান্নার পর চা খেয়ে একটু শান্ত হয়ে, সামলে নিয়ে মুখ খুলেছে দেবলীনা। — – ছোটবেলা থেকেই আমার খুব প্রিয় লেখক আর্যশেখর। ওঁর ছোটদের লেখার হাত ও তো দারুণ। কিন্তু বাবা, কেন জানি কখনোই ওঁকে একদম পছন্দ করতেন না, – বলতেন ওর কোন মৌলিক কিছু লেখার ক্ষমতা নেই, নিশ্চয়ই কোথা থেকে ঝেড়ে দিয়েছে – … বিস্তারিত পড়ুন

পুরস্কার পাঁচ হাজার ডলার— প্রথম অংশ

সকালে আড্ডা দিতে নীচে প্রমথর অ্যাপার্টমেণ্টে যেতেই একেনবাবু একগাল হেসে বললেন, “ভালোই হল স্যার, আপনি এসেছেcন। মিস্টার রাজ সিং একটু আগে ফোন করেছিলেন, উনিও আসছেন।” “রাজ সিং, মানে দ্য গ্রেট ডিটেকঠিভ রাজ সিং?” আমি একটু ঠাট্টা করেই প্রশ্নটা করলাম।” “হ্যাঁ স্যার। ওঁর হাতে নাকি একটা কমপ্লিকেটেড কেস এসেছে। আমাদের কাছে একটু পরমর্শ চান।” ‘আমাদের’ কথাটা … বিস্তারিত পড়ুন

পুরস্কার পাঁচ হাজার ডলার— তৃতীয় অংশ

“কাস্টমারদের লাইনের অন্য সাইডে একটা পাটাতনের মতো আছে। সেখানে সিকিউরিটি গার্ড ও কয়েকজন কর্মচারি বসে। প্রথম দু’দিন সেখানে একটা চেয়ার নিয়ে বসেছিলাম। শেষ তিন দিন মিস জোনসের ঠিক পেছনে বুক কিপারদের একটা টেবিল আছে, সেখানে ছিলাম।” তার মানে স্যার, আপনি চারজন টেলারকেই ভালো করে দেখতে পারছিলেন।” অ্যাবসোলুটলি! শুধু দেখা নয়, সবার কথাও শুনতে পারছিলাম।” একেনবাবু … বিস্তারিত পড়ুন

অদ্ভূত অর্থাপহরণ– প্রথম অংশ

সে’বার বিজ্ঞান সম্মেলনে যোগ দিতে আমাকে হায়দ্রাবাদে যাবার জন্য হাওড়া থেকে ইস্টকোষ্ট এক্সপ্রেস ধরতে হয়েছিল। সঙ্গে আমি পরীর দেশের রাজকুমার অপরূপ সুন্দর তেরো বছরের ভাইপো চঞ্চলকে ও নিয়ে গিয়েছিলাম। ট্রেন সকাল সাতটা পঁয়তাল্লিশে তখন হাওড়ার ১১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ছাড়তো । তা বেশ ভালই চলছিল ট্রেন। কিন্তু ভাগ্যে যা আছে তা তো হবেই। বিশাখাপত্তনমের আগেই … বিস্তারিত পড়ুন

অদ্ভূত অর্থাপহরণ– দ্বিতীয় অংশ

হৈ চৈ হট্টগোলের ভেতরে জানা গেল যে ট্রেন ডিরেলড হয়েছে মাইন বিস্ফোরণে তবে এ০সি০ কামরাগুলো ট্রেনের মাঝখানে ছিল বলে একটু হেলে পড়েছে মাত্র। ইন্জিন সমেত সামনের চার পাঁচখানা জেনারেল ও রিজার্ভ কোচের মতন উল্টে পড়েনি। কখন যে সাহায্য আসবে তা ভগবান জানেন। সকালের আগে তো নয়ই। অতএব জিনিষপত্র নীচে ফেলে ট্রেন থেকে লাফিয়ে নেমে আমার … বিস্তারিত পড়ুন

খুনের আগে খুন– দ্বিতীয় অংশ

অনিতামাসি প্রমথর মায়ের দূর-সম্পর্কের বোন। আমার সঙ্গে ওঁর পরিচয় আমেরিকাতে। প্রমথর কাছে ওঁর সম্পর্কে যতটুকু জেনেছি, সেটা হল বিয়ের পরপরই উনি বরের সঙ্গে আমেরিকায় চলে যান। সেখানেই ওঁদের একটি মেয়ে হয়; দুঃখের কথা, মেয়েটি বেশি দিন বাঁচে নি – বছর পাঁচেক বয়সে মারা যায়। তার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই অনিতামাসির বর মণ্টুমেশো একটি কম বয়সী নার্সের … বিস্তারিত পড়ুন

প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বী– দ্বিতীয় অংশ

এখন শরীরটা একটু ভালো লাগছে কি! – মৃগাঙ্ক, ব্যাপারটা কি হল বলতো! আমি তো পুরো পাজলড, মাথা ঘুরছে। – শেখরবাবু, একটু শান্ত হয়ে আমাকে পুরো ব্যাপারটা একটু বুঝিয়ে বলবেন? – মৃগাঙ্ক, একটা অনুরোধ রাখবে, ঘটনাটা তদন্ত করে বার করতে হবে তোমাকেই। কিন্তু পুরোপুরি প্রাইভেট ইনভেস্টিগেশন। পুলিশকে জানানো চলবে না, নো প্রেস, এবসল্যুটলি নো পাবলিসিটি। – … বিস্তারিত পড়ুন

খুনের আগে খুন– তৃতীয় অংশ

অশোকের এপার্টমেন্টটা ইস্টার্ন বাইপাসে সন্তোষপুরের কাছে। অনেকগুলো বড় বড় টাওয়ার নিয়ে একটা গেটেড কম্যুনিটি। গেটের মুখেই অশোক অপেক্ষা করছিল আমাদের জন্যে। সোজা নিয়ে গেল ওদের কম্যুনিটি ক্লাব-এ। টেনিস কোর্ট, সুইমিং পুল, জিম, ব্যাঙ্কোয়েট হল – সবকিছু আছে। এমনি কি একটা রেস্টুরেন্টও। সেখানেই খাওয়াল আমাদের। ক্ষমাও চেয়ে নিলো নিজের বাড়িতে খাওয়াতে পারছে না বলে। বাড়িতে শুধু … বিস্তারিত পড়ুন

প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বী– তৃতীয় অংশ

সোমবার রাতে খাওয়া-দাওয়ার পর মৃগাঙ্ক ব্যাপারটা ভাবছিল। আপসোস হচ্ছিল, খানিকটা বেশ রাগ ও হচ্ছিল আর্যশেখরের ওপর। একে তো জেরক্স বা স্ক্যান করেননি, তার ওপর আবার তদন্তে এত কড়াকড়ি! সে নিজের মনেই হেসে ফেলল – মানুষটাই এই রকম। আজকের এই রকম হুজুগের যুগে ভাবা যায় কোন মানুষ এত অল্পে সন্তুষ্ট থাকতে পারে? লোকে মিডিয়ার আলো চায় … বিস্তারিত পড়ুন

খুনের আগে খুন– চতুর্থ অংশ

কাজের যে মেয়েটি দরজা খুলল, ভারি মিষ্টি চেহারা তার। অশোক বলল, “তুমি এখনো এখানে?“ মেয়েটি একটু অপ্রতিভ হয়ে বলল, “এক্ষুণি যাচ্ছি আপনার বাড়ি, আজ একটু দেরি হয়ে গেল।“ “মাসি বাড়িতে আছেন ? “ অনিতামাসি খাবার ঘরে বসে একজন কাঁচা-পাকা চুলওয়ালা ভদ্রলোকের সঙ্গে গল্প করছিলেন। উঁকি দিয়ে অশোককে দরজায় দেখে উত্ফুল্ল হয়ে বললেন, “এসো, এসো, ভেতরে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!