ঈদে গাদির ও হযরত আলী (আ.)

১৮ জিলহজ্ব হচ্ছে-ঐতিহাসিক ঈদে গাদির। দশম হিজরীর এই দিনে রাসূলে খোদা (সা.) হজ্ব থেকে ফেরার পথে গাদিরে খুম নামক স্থানে আমিরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)-কে তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ঘোষণা দেন। তখন থেকেই ১৮ই জিলহজ্ব পবিত্র ‘গাদির দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।   দশম হিজরীতে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)’র আহ্বানে সাড়া দিয়ে লাখো মুসলমান মক্কায় হজ্ব … বিস্তারিত পড়ুন

ইমাম খোমেনী

ইরানের একটি সুন্দর শহর। নাম তার খোমেইন। এটি সেদেশর রাজধানী তেহরান থেকে সোয়া ‍দু’শত কিলোমিটা দক্ষিণে অবস্থিত। এই শহরে জন্ম হয় আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ আল মুসাভী আলী খোমেনীর। সেদিন ছিল ১৯০১ সালের ২৩শে অক্টোবর। তাঁর পিতার নাম আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ মোস্তফা মুসাভী। আর মাতার নাম হাজেরা। পিতা বড় আলেম ছিলেন। তিনি বিভিন্ন বিষয়ে জনগনকে দিক নির্দেশনা দিতেন। … বিস্তারিত পড়ুন

আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী

ইরানের একটি প্রদেশের নাম খোরাসান। খোরাসানের রাজধানী মাশহাদ। সেখানে এক ধর্মীয় পরিবারে জন্ম হল একটি শিশুর। সেটি ১৯৩৯ সালের ১৫ জুলাই। এই শিশুই পরবর্তীকালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হন। ইমাম খোমেনীর ইন্তেকালের পর বর্তমান ইরানের তিনিই রাহবার। তিনি আধ্যাত্মিক নেতা। সেদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে তিন দিক নির্দেশনা দান করেন। মাশহাদে প্রাথমিক শিক্ষালাভেপর পর তিনি পবিত্র কোম … বিস্তারিত পড়ুন

মহাকবি নিজামী

তাঁর নাম নিজামী। পুরা নাম আল ইলিয়াস ইউসুফ আবুবকর নিজামুদ্দীন নিজামী। হিজরী ৫৩৩ সনে তিনি ইরানের কুমে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মুঈদ। নিজামী পন্ডিত বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ভাই বিখ্যাত কবি ছিলেন। নিজামী প্রথমে বিদ্যালয়ে শিক্ষা শেষ করেন। তিনি ছোটবেলা থেকেই কবিতা রচনা করতেন। শিক্ষা অর্জনের পর তিনি কাব্য সাধনায় মন ঢেলে দেন। … বিস্তারিত পড়ুন

মোহাম্মদ ইবনে জাকারিয়া আল রাযী

মুসলমান চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁরা চিকিৎসা বিজ্ঞান ও ঔষূধ তৈরীর নিয়মকানুন সম্পর্কিত বই পুস্তক রচনায় অসামান অবদান রেখেছেন। এদের মধ্যে আল রাযী ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ। ইরানের রাজধানী তেহরান। তেহরানের একটি এলাকার নাম রায়নগর। এখানেই জন্ম হয় আবু বকর মোহাম্মদ ইবনে জাকারিয়ার। সেটা ছিল ৮৮৫ খৃষ্টাব্দ। রায়নগর ছিল একটি শিক্ষা কেন্দ্র। এটি মৃৎ … বিস্তারিত পড়ুন

আব্দুর রহমান জামী

ইরানের খোরাসান প্রদেশের একটি ছোট শহর। নামতার জাম। এই শহরে মোল্লাহ নূরউদ্দিন আবদুর রহমানের জন্ম হয়। দিনটি ছিল ৭ই নভেম্বর। আর সাল ছিল ১৪১৪। জন্মভূমি জাম থেকেই তিনি জামী উপাধ পান এবং এই নামেই বিখ্যাত হন। তাঁর পিতা ছিলেন একজন নামকরা পন্ডিত ব্যক্তি। পিতার কাছেই তিনি আরবী ফার্সি ভাষা শেখেন। তিনি তফসিরে কোরআন, হাদিস, ফিকাহ … বিস্তারিত পড়ুন

খাদীজা বিনত খুওয়াইলদ (রা)

রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথম স্ত্রী হযরত খাদীজা (রা)। তাঁর ডাকনাম ‘উম্মু হিন্দা’ ও উম্মুল কাসিম’ এবং উপাধি বা লকব ‘তাহিরা’। পিতা খুওয়াইলিদ ইবন আসাদ মক্কার কুরাইশ খান্দানের বনু আসাদ শাখার সন্তান। পিতৃবংশের উর্ধ্বপুরুষ ‘কুসাঈ’-এর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নসবের সাথেতাঁর নসব মিলিত হয়েছে। অর্থাৎ খাদীজা বিনতে খুলয়াইলিদ ইবন আসাদ ইবন ‘আবদুল … বিস্তারিত পড়ুন

সাওদা বিনত যাম‘আ (রা)

হযরত সাওদা (রা) সেই ভাগ্যবতী মহিলা যাঁকে হযরত রাসূলে কারীম (সাল-াল¬াহু ‘আলাইহি ওয়া সাল¬াম) উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদীজার (রা) মৃত্যুর পর বিয়ে করেন। শুধূ তাঁকে নিয়েই তিনি প্রায় তিন বছর বা তার চেয়ে কিচু বেশি সময় দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত কনের। তারপর উম্মুল মুমিননীন হযরত ‘আয়িশাকে (রা) ঘরে তুলে আনেন। হযরত সাওদা মক্কায় বিখ্যাত কুরাইশ বংশের … বিস্তারিত পড়ুন

হাফসা বিনতে উমার ইবনুল খাত্তাব (রা)

উম্মুল মু’মিনীন হাফসা (রা) দ্বিতীয় খলীফা ‘উমার ইবনুল খাত্তাবের (রা) কন্যা। মা খুযা‘আ গোত্রের মেয়ে যয়নাব বিনত মাজ‘উন প্রখ্যাত সাহাবী ‘উসমান ইবন মাজ‘উনের আপন বোন। তিনি জিনেও একজন সাহাবী। আবদুল্লাহ ইবন উমার ও হাফসা (রা) আপন ভাই-বোন। হাফসা আবদুলত্মাহর চেয়ে ছয় বছরের বড়। রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবুওয়াত প্রাপ্তির পাঁচ বছর পূর্বে মক্কায় জন্মগ্রহণ … বিস্তারিত পড়ুন

যায়নাব বিন্ত খুযায়মা (রা)

হযরত যায়নাব বিন্ত খুযায়মা ইবন আল-হারিস আল-হিলালিয়্যা ছিলেন বনু বাকর উবন হাওয়াযিনের কন্যা। তাঁর উপাধি বা লকব ছিল উম্মুল মাসাকীন। উহুল যুদ্ধে তাঁর স্বামী শাহাদাত বরণ করলে ঐ বছরই রাসূলে কারীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বিয়ে করেন এবং তিনি উম্মুল মু’মিনীন-এর অতুলনীয় মর্যাদার অধিকারিণী হন। হযরত যায়নাব বিন্ত খুযায়মার (রা) প্রথম বিয়ে কার সাথে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!