শেষের কবিতা–একাদশতম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের দ্বাদশতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন মিলন-তত্ত্ব ঠিক হয়ে গেল, আগামী অঘ্রান মাসে এদের বিয়ে। যোগমায়া কলকাতায় গিয়ে সমস্ত আয়োজন করবেন। লাবণ্য অমিতকে বললে, “তোমার কলকাতায় ফেরবার দিন অনেককাল হল পেরিয়ে গেছে। অনিশ্চিতের মধ্যে বাঁধা পড়ে তোমার দিন কেটে যাচ্ছিল। এখন ছুটি। নিঃসংশয়ে চলে যাও। বিয়ের আগে আমাদের আর দেখা হবে না।” “এমন কড়া … বিস্তারিত পড়ুন

শেষের কবিতা–দ্বাদশতম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের ত্রয়োদশতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন শেষ সন্ধ্যা আহার শেষ হলে অমিত বললে, “কাল কলকাতায় যাচ্ছি মাসিমা। আমার আত্মীয়স্বজন সবাই সন্দেহ করছে আমি খাসিয়া হয়ে গেছি।” “আত্মীয়স্বজনেরা কি জানে কথায় কথায় তোমার এত বদল সম্ভব।” “খুব জানে। নইলে আত্মীয়স্বজন কিসের। তাই বলে কথায় কথায় নয়, আর খাসিয়া হওয়া নয়। যে বদল আজ আমার হল … বিস্তারিত পড়ুন

শেষের কবিতা–ত্রয়োদশতম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের চতুর্দশতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন আশঙ্কা সকালবেলায় কাজে মন দেওয়া আজ লাবণ্যর পক্ষে কঠিন। সে বেড়াতেও যায় নি। অমিত বলেছিল, শিলঙ থেকে যাবার আগে আজ সকালবেলায় সে ওদের সঙ্গে দেখা করতে চায় না, সেই পণটাকে রক্ষা করবার ভার দুজনেরই উপর। কেননা, যে রাস্তায় ও বেড়াতে যায় সেই রাস্তা দিয়েই অমিতকে যেতে হবে। মনে … বিস্তারিত পড়ুন

শেষের কবিতা–চর্তুদশতম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের পঞ্চদশতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ধূমকেতু এতদিন পরে অমিত একটা কথা আবিষ্কার করেছে যে, লাবণ্যর সঙ্গে তার সম্বন্ধটা শিলঙ-সুদ্ধ বাঙালি জানে। গভর্মেন্ট্‌ আপিসের কেরানিদের প্রধান আলোচ্য বিষয়– তাদের জীবিকাভাগ্যগগনে কোন্‌ গ্রহ রাজা হৈল কে বা মন্ত্রিবর। এমন সময় তাদের চোখে পড়ল মানবজীবনের জ্যোতির্মণ্ডলে এক যুগ্মতারার আবর্তন, একেবারে ফাস্ট্‌ ম্যাগ্নিচ্যুডের আলো। পর্যবেক্ষকদের প্রকৃতি অনুসারে … বিস্তারিত পড়ুন

শেষের কবিতা–পঞ্চদশতম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের ষোলতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ব্যাঘাত দুই সখী যোগমায়ার বাগানে বাইরের দরজা পার হয়ে চাকরদের কাউকে দেখতে পেলে না। গাড়িবারাণ্ডায় এসে চোখে পড়ল, বাড়ির রোয়াকে একটি ছোটো টেবিল পেতে একজন শিক্ষয়িত্রী ও ছাত্রীতে মিলে পড়া চলছে। বুঝতে বাকি রইল না, এরই মধ্যে বড়োটি লাবণ্য। কেটি টক্‌ টক্‌ করে উপরে উঠে ইংরেজিতে বললে, “দুঃখিত।” … বিস্তারিত পড়ুন

শেষের কবিতা–ষোলতম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের সতেরোতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন মুক্তি একটি ছোটো চিঠি এল লাবণ্যর হাতে, শোভনলালের লেখা :     শিলঙে কাল রাত্রে এসেছি। যদি দেখা করতে অনুমতি দাও তবে দেখতে যাব। না যদি দাও কালই ফিরব। তোমার কাছে শাস্তি পেয়েছি, কিন্তু কবে কী অপরাধ করেছি আজ পর্যন্ত স্পষ্ট করে বুঝতে পারি না। আজ এসেছি তোমার কাছে … বিস্তারিত পড়ুন

শেষের কবিতা–সতেরোতম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের প্রথম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন কলকাতার কলেজে পড়ে যতিশংকর। থাকে কলুটোলা প্রেসিডেন্সি কলেজের মেসে। অমিত তাকে প্রায় বাড়িতে নিয়ে আসে, খাওয়ায়, তার সঙ্গে নানা বই পড়ে, নানা অদ্ভুত কথায় তার মনটাকে চমকিয়ে দেয়, মোটরে করে তাকে বেড়িয়ে নিয়ে আসে। তার পর কিছুকাল যতিশংকর অমিতের কোনো নিশ্চিত খবর পায় না। কখনো শোনে সে নৈনিতালে, … বিস্তারিত পড়ুন

শেষের কবিতা–৩য় অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের চতুর্থ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন পূর্ব ভূমিকা বাংলাদেশে ইংরেজি শিক্ষার প্রথম পর্যায়ে চণ্ডীমণ্ডপের হাওয়ার সঙ্গে স্কুল-কলেজের হাওয়ার তাপের বৈষম্য ঘটাতে সমাজবিদ্রোহের যে ঝড় উঠেছিল সেই ঝড়ের চাঞ্চল্যে ধরা দিয়েছিলেন জ্ঞানদাশংকর। তিনি সেকালের লোক, কিন্তু তাঁর তারিখটা হঠাৎ পিছলিয়ে সরে এসেছিল অনেকখানি একালে। তিনি আগাম জন্মেছিলেন। বুদ্ধিতে বাক্যে ব্যবহারে তিনি ছিলেন তাঁর বয়সের লোকদের … বিস্তারিত পড়ুন

শেষের কবিতা–৪র্থ অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের পঞ্চম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন লাবণ্য-পুরাবৃত্ত লাবণ্যের বাপ অবনীশ দত্ত এক পশ্চিমি কালেজের অধ্যক্ষ। মাতৃহীন মেয়েকে এমন করে মানুষ করেছেন যে, বহু পরীক্ষা-পাসের ঘষাঘষিতেও তার বিদ্যাবুদ্ধিতে লোকসান ঘটাতে পারে নি। এমন-কি, এখনো তার পাঠানুরাগ রয়েছে প্রবল। বাপের একমাত্র শখ ছিল বিদ্যায়, মেয়েটির মধ্যে তাঁর সেই শখটির সম্পূর্ণ পরিতৃপ্তি হয়েছিল। নিজের লাইব্রেরির চেয়েও তাকে … বিস্তারিত পড়ুন

শেষের কবিতা–৫ম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের ষষ্ঠ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন আলাপের আরম্ভ অতীতের ভগ্নাবশেষ থেকে এবার ফিরে আসা যাক বর্তমানের নতুন সৃষ্টির ক্ষেত্রে। লাবণ্য পড়বার ঘরে অমিতকে বসিয়ে রেখে যোগমায়াকে খবর দিতে গেল। সে ঘরে অমিত বসল যেন পদ্মের মাঝখানটাতে ভ্রমরের মতো। চারি দিকে চায়, সকল জিনিস থেকেই কিসের ছোঁওয়া লাগে, ওর মনটাকে দেয় উদাস করে। শেলফে, পড়বার … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!