গোরা– প্রথম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের দ্বিতীয় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন শ্রাবণ মাসের সকালবেলায় মেঘ কাটিয়া গিয়া নির্মল রৌদ্রে কলিকাতার আকাশ ভরিয়া গিয়াছে। রাস্তায় গাড়িঘোড়ার বিরাম নাই, ফেরিওয়ালা অবিশ্রাম হাঁকিয়া চলিয়াছে, যাহারা আপিসে কালেজে আদালতে যাইবে তাহাদের জন্য বাসায় বাসায় মাছ-তরকারির চুপড়ি আসিয়াছে ও রান্নাঘরে উনান জ্বালাইবার ধোঁওয়া উঠিয়াছে— কিন্তু তবু এত বড়ো এই-যে কাজের শহর কঠিন হৃদয় কলিকাতা, … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা– দ্বিতীয় অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের তৃতীয় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন বর্ষার সন্ধ্যায় আকাশের অন্ধকার যেন ভিজিয়া ভারী হইয়া পড়িয়াছে। বর্ণহীন বৈচিত্র্যহীন মেঘের নিঃশব্দ শাসনের নীচে কলিকাতা শহর একটা প্রকাণ্ড নিরানন্দ কুকুরের মতো লেজের মধ্যে মুখ গুঁজিয়া কুণ্ডলী পাকাইয়া চুপ করিয়া পড়িয়া আছে। কাল সন্ধ্যা হইতে টিপ টিপ করিয়া কেবলই বর্ষণ হইয়াছে; সে বৃষ্টিতে রাস্তার মাটিকে কাদা করিয়া তুলিয়াছে … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা– তৃতীয় অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের চতুর্থ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন গোরা ও বিনয় ছাত হইতে নামিয়া যাইবার উপক্রম করিতেছে এমন সময় গোরার মা উপরে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। বিনয় তাঁহার পায়ের ধুলা লইয়া প্রণাম করিল। গোরার মা আনন্দময়ীকে দেখিলে গোরার মা বলিয়া মনে হয় না। তিনি ছিপ্‌‍ছিপে পাতলা, আঁটসাঁট; চুল যদি বা কিছু কিছু পাকিয়া থাকে বাহির হইতে দেখা … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–- চতুর্থ অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের পঞ্চম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন মত হিসাবে একটা কথা যেমনতরো শুনিতে হয়, মানুষের উপর প্রয়োগ করিবার বেলায় সকল সময় তাহার সেই একান্ত নিশ্চিত ভাবটা থাকে না— অন্তত বিনয়ের কাছে থাকে না, বিনয়ের হৃদয়বৃত্তি অত্যন্ত প্রবল। তাই তর্কের সময় সে একটা মতকে খুব উচ্চস্বরে মানিয়া থাকে, কিন্তু ব্যবহারের বেলা মানুষকে তাহার চেয়ে বেশি না … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-পঞ্চম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের ষষ্ঠ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন “ওগো, শুনছ? আমি তোমার পুজোর ঘরে ঢুকছি নে, ভয় নেই। আহ্নিক শেষ হলে একবার ও ঘরে যেয়ো— তোমার সঙ্গে কথা আছে। দুজন নূতন সন্ন্যাসী যখন এসেছে তখন কিছুকাল তোমার আর দেখা পাব না জানি, সেইজন্যে বলতে এলুম। ভুলো না, একবার যেয়ো।” এই বলিয়া আনন্দময়ী ঘরকরনার কাজে ফিরিয়া গেলেন। … বিস্তারিত পড়ুন

শেষের কবিতা–৭ম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের অষ্টম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ঘটকালি অমিত যোগমায়ার কাছে এসে বললে, “মাসিমা, ঘটকালি করতে এলেম। বিদায়ের বেলা কৃপণতা করবেন না।” “পছন্দ হলে তবে তো। আগে নাম ধাম বিবরণটা বলো।” অমিত বললে, “নাম নিয়ে পাত্রটির দাম নয়।” “তা হলে ঘটক-বিদায়ের হিসাব থেকে কিছু বাদ পড়বে দেখছি।” “অন্যায় কথা বললেন। নাম যার বড়ো তার সংসারটা … বিস্তারিত পড়ুন

শেষের কবিতা–৮ম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের নবম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন লাবণ্য-তর্ক যোগমায়া বললেন, “মা লাবণ্য, তুমি ঠিক বুঝেছ?” “ঠিক বুঝেছি মা।” “অমিত ভারি চঞ্চল, সে কথা মানি। সেইজন্যেই ওকে এত স্নেহ করি। দেখো-না, ও কেমনতরো এলোমেলো। হাত থেকে সবই যেন পড়ে পড়ে যায়।” লাবণ্য একটু হেসে বললে, “ওঁকে সবই যদি ধরে রাখতেই হত, হাত থেকে সবই যদি খসে … বিস্তারিত পড়ুন

শেষের কবিতা–নবম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের দশম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন বাসা বদল গোড়ায় সবাই ঠিক করে রেখেছিল, অমিত দিন-পনেরোর মধ্যে কলকাতায় ফিরবে। নরেন মিত্তির খুব মোটা বাজি রেখেছিল যে, সাত দিন পেরোবে না। এক মাস যায়, দু মাস যায়, ফেরবার নামও নেই। শিলঙের বাসার মেয়াদ ফুরিয়েছে, রংপুরের কোন্‌ জমিদার এসে সেটা দখল করে বসল। অনেক খোঁজ করে যোগমায়াদের … বিস্তারিত পড়ুন

শেষের কবিতা–দশম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের ১১তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন দ্বিতীয় সাধনা তখন অমিত ভিজে চৌকির উপরে এক তাড়া খবরের কাগজ চাপিয়ে তার উপর বসেছে। টেবিলে এক দিস্তে ফুল্‌স্ক্যাপ কাগজ নিয়ে তার চলছে লেখা। সেই সময়েই সে তার বিখ্যাত আত্মজীবনী শুরু করেছিল। কারণ জিজ্ঞাসা করলে বলে, সেই সময়েই তার জীবনটা অকস্মাৎ তার নিজের কাছে দেখা দিয়েছিল নানা রঙে, … বিস্তারিত পড়ুন

শেষের কবিতা–একাদশতম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষের কবিতা

গল্পের দ্বাদশতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন মিলন-তত্ত্ব ঠিক হয়ে গেল, আগামী অঘ্রান মাসে এদের বিয়ে। যোগমায়া কলকাতায় গিয়ে সমস্ত আয়োজন করবেন। লাবণ্য অমিতকে বললে, “তোমার কলকাতায় ফেরবার দিন অনেককাল হল পেরিয়ে গেছে। অনিশ্চিতের মধ্যে বাঁধা পড়ে তোমার দিন কেটে যাচ্ছিল। এখন ছুটি। নিঃসংশয়ে চলে যাও। বিয়ের আগে আমাদের আর দেখা হবে না।” “এমন কড়া … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!