গোরা–-১২ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের ১৩ তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন বিনয় ও গোরা পরেশের বাড়ি হইতে রাস্তায় বাহির হইলে বিনয় কহিল, “গোরা, একটু আস্তে আস্তে চলো ভাই— তোমার পা দুটো আমাদের চেয়ে অনেক বড়ো— ওর চালটা একটু খাটো না করলে তোমার সঙ্গে যেতে আমরা হাঁপিয়ে পড়ি।” গোরা কহিল, “আমি একলাই যেতে চাই, আমার আজ অনেক কথা ভাববার … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-২৮ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের ২৯ তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন কোনোপ্রকার অপরাধ বিচার না করিয়া কেবলমাত্র গ্রামকে শাসন করিবার জন্য সাতচল্লিশ জন আসামিকে হাজতে দেওয়া হইয়াছে। ম্যাজিস্ট্রেটের সহিত সাক্ষাতের পর গোরা উকিলের সন্ধানে বাহির হইল। কোনো লোকের কাছে খবর পাইল, সাতকড়ি হালদার এখানকার একজন ভালো উকিল। সাতকড়ির বাড়ি যাইতেই সে বলিয়া উঠিল, “বাঃ, গোরা যে! তুমি এখানে!” … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-১৩ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের ১৪ তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন মধ্যাহ্নে গোরার কাছে যাইবার জন্য বিনয়ের মন আবার চঞ্চল হইয়া উঠিল। বিনয় গোরার কাছে নিজেকে নত করিতে কোনোদিন সংকোচ বোধ করে নাই। কিন্তু নিজের অভিমান না থাকিলেও বন্ধুত্বের অভিমানকে ঠেকানো শক্ত। পরেশবাবুর কাছে ধরা দিয়া বিনয় গোরার প্রতি তাহার এতদিনকার নিষ্ঠায় একটু যেন খাটো হইয়াছে বলিয়া অপরাধ … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-২৯ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের ত্রিশতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন আজ ছোটোলাট আসিবেন বলিয়া ম্যাজিস্ট্রেট ঠিক সাড়ে দশটায় আদালতে আসিয়া বিচারকার্য সকাল-সকাল শেষ করিয়া ফেলিতে চেষ্টা করিলেন। সাতকড়িবাবু ইস্কুলের ছাত্রদের পক্ষ লইয়া সেই উপলক্ষে তাঁহার বন্ধুকে বাঁচাইবার চেষ্টা করিলেন। তিনি গতিক দেখিয়া বুঝিয়াছিলেন যে, অপরাধ স্বীকার করাই এ স্থলে ভালো চাল। ছেলেরা দুরন্ত হইয়াই থাকে, তাহারা অর্বাচীন নির্বোধ … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-১৪ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের ১৫ তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন গোরা যখন মধ্যাহ্নে খাইতে বসিল, আনন্দময়ী আস্তে আস্তে কথা পাড়িলেন, “আজ সকালে বিনয় এসেছিল। তোমার সঙ্গে দেখা হয় নি?” গোরা খাবার থালা হইতে মুখ না তুলিয়া কহিল, “হাঁ, হয়েছিল।” আনন্দময়ী অনেকক্ষণ চুপ করিয়া বসিয়া রহিলেন— তাহার পর কহিলেন, “তাকে থাকতে বলেছিলুম, কিন্তু সে কেমন অন্যমনস্ক হয়ে চলে … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-১৫ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের ১৬ তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন রাত্রে গোরা বাড়িতে ফিরিয়া আসিয়া অন্ধকার ছাতের উপর বেড়াইতে লাগিল। তাহার নিজের উপর রাগ হইল। রবিবারটা কেন সে এমন বৃথা কাটিতে দিল। ব্যক্তিবিশেষের প্রণয় লইয়া অন্য সমস্ত কাজ নষ্ট করিবার জন্য তো গোরা পৃথিবীতে আসে নাই। বিনয় যে পথে যাইতেছে সে পথ হইতে তাহাকে টানিয়া রাখিবার চেষ্টা … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-১৬ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের ১৭ তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন বরদাসুন্দরী কহিলেন, “তুমি সুচরিতার বিয়ে দেবে না নাকি?” পরেশবাবু তাঁহার স্বাভাবিক শান্ত গম্ভীর ভাবে কিছুক্ষণ পাকা দাড়িতে হাত বুলাইলেন— তার পর মৃদুস্বরে কহিলেন, “পাত্র কোথায়?” বরদাসুন্দরী কহিলেন, “কেন, পানুবাবুর সঙ্গে ওর বিবাহের কথা তো ঠিক হয়েই আছে— অন্তত আমরা তো মনে মনে তাই জানি— সুচরিতাও জানে।” পরেশ … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-১৭ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের ১৮ তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ঘণ্টা দুই-তিন নিদ্রার পর যখন গোরা ঘুম ভাঙিয়া পাশে চাহিয়া দেখিল বিনয় ঘুমাইতেছে তখন তাহার হৃদয় আনন্দে ভরিয়া উঠিল। স্বপ্নে একটা প্রিয় জিনিস হারাইয়া জাগিয়া উঠিয়া যখন দেখা যায় তাহা হারায় নাই তখন যেমন আরাম বোধ হয় গোরার সেইরূপ হইল। বিনয়কে ত্যাগ করিলে গোরার জীবন যে কতখানি … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-১৮ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের ১৯ তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন বিনয় আনন্দময়ীর কথা কয়টি ভাবিতে ভাবিতে বাসায় গেল। আনন্দময়ীর মুখের একটি কথাও এপর্যন্ত বিনয়ের কাছে কোনোদিন উপেক্ষিত হয় নাই। সে রাত্রে তাহার মনের মধ্যে একটা ভার চাপিয়া রহিল। পরদিন সকালে উঠিয়া সে যেন একটা মুক্তির ভাব অনুভব করিল। তাহার মনে হইল গোরার বন্ধুত্বকে সে একটা খুব বড়ো … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-১৯ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের ২০ তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন সকালবেলায় গোরা কাজ করিতেছিল। বিনয় খামকা আসিয়া অত্যন্ত খাপছাড়াভাবে কহিল, “সেদিন পরেশবাবুর মেয়েদের নিয়ে আমি সার্কাস দেখতে গিয়েছিলুম।” গোরা লিখিতে লিখিতেই বলিল, “শুনেছি।” বিনয় বিস্মিত হইয়া কহিল, “তুমি কার কাছে শুনলে?” গোরা। অবিনাশের কাছে। সেও সেদিন সার্কাস দেখতে গিয়েছিল। গোরা আর কিছু না বলিয়া লিখিতে লাগিল। গোরা … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!