গোরা–-৫২ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের তেপান্নতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন পরেশবাবু কহিলেন, “বিনয়, তুমি ললিতাকে একটা সংকট থেকে উদ্ধার করবার জন্যে একটা দুঃসাহসিক কাজ করবে এরকম আমি ইচ্ছা করি নে। সমাজের আলোচনার বেশি মূল্য নেই, আজ যা নিয়ে গোলমাল চলছে দুদিন বাদে তা কারও মনেও থাকবে না।” ললিতার প্রতি কর্তব্য করিবার জন্যই যে বিনয় কোমর বাঁধিয়া আসিয়াছিল সে … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-৬৮ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের ঊনসত্তর তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন গায়ে তসরের চায়না কোট, কোমরে একটা চাদর জড়ানো, হাতে একটা ক্যাম্বিসের ব্যাগ— স্বয়ং কৈলাস আসিয়া হরিমোহিনীকে প্রণাম করিল। তাহার বয়স পঁয়ত্রিশের কাছাকাছি হইবে, বেঁটেখাটো আঁটসাঁট মজবুত গোছের চেহারা, কামানো গোঁফদাড়ি কিছুদিন ক্ষৌরকর্মের অভাবে কুশাগ্রের ন্যায় অঙ্কুরিত হইয়া উঠিয়াছে। অনেক দিন পরে শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়কে দেখিয়া আনন্দিত হইয়া হরিমোহিনী … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-৫৩ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের চুয়ান্নতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন গোরা জেল হইতে বাহির হইয়াই দেখিল পরেশবাবু এবং বিনয় দ্বারের বাহিরে তাহার জন্য অপেক্ষা করিতেছেন। এক মাস কিছু দীর্ঘকাল নহে। এক মাসের চেয়ে বেশিদিন গোরা আত্মীয়বন্ধুদের নিকট হইতে বিচ্ছিন্ন হইয়া ভ্রমণ করিয়াছে, কিন্তু জেলের এক মাস বিচ্ছেদ হইতে বাহির হইয়াই সে যখন পরেশ ও বিনয়কে দেখিল তখন তাহার … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-৬৯ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের সত্তরতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন গোরা আজকাল সকালেই বাড়ি হইতে বাহির হইয়া যায়, বিনয় তাহা জানিত, এইজন্য অন্ধকার থাকিতেই সোমবার দিন প্রত্যুষে সে তাহার বাড়িতে গিয়া উপস্থিত হইল; একেবারে উপরে উঠিয়া তাহার শয়নগৃহে গেল। সেখানে গোরাকে দেখিতে না পাইয়া চাকরের কাছে সন্ধান লইয়া জানিল, সে ঠাকুরঘরে আছে। ইহাতে সে মনে মনে কিছু আশ্চর্য … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-৩৯ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের চল্লিশতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন বরদাসুন্দরী তাঁহার ব্রাহ্মিকাবন্ধুদিগকে প্রায়ই নিমন্ত্রণ করিতে লাগিলেন। মাঝে মাঝে তাঁহাদের ছাদের উপরেই সভা হইত। হরিমোহিনী তাঁহার স্বাভাবিক গ্রাম্য সরলতার সহিত মেয়েদের আদর-অভ্যর্থনা করিতে চেষ্টা করিতেন, কিন্তু ইহারা যে তাঁহাকে অবজ্ঞা করে তাহা তাঁহার কাছে গোপন রহিল না। এমন-কি, হিন্দুদের সামাজিক আচার-ব্যবহার লইয়া তাঁহার সমক্ষেই বরদাসুন্দরী তীব্র সমালোচনা উত্থাপিত … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-৪০ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের একচল্লিশতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন সুচরিতা নীচের ঘরে আসিয়া হারানবাবুর সম্মুখে দাঁড়াইল— কহিল, “আপনার কী কথা আছে বলুন।” হারানবাবু কহিলেন, “বসো।” সুচরিতা বসিল না, স্থির দাঁড়াইয়া রহিল। হারানবাবু কহিলেন, “সুচরিতা, তুমি আমার প্রতি অন্যায় করছ।” সুচরিতা কহিল, “আপনিও আমার প্রতি অন্যায় করছেন।” হারানবাবু কহিলেন, “কেন, আমি তোমাকে যা কথা দিয়েছি এখনো তা— ” … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-৪১ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের বিয়াল্লিশতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন একই সময়ে নিজের অন্তরের সঙ্গে, আবার নিজের বাহিরের সঙ্গে সুচরিতার যে সংগ্রাম বাধিয়া উঠিয়াছে তাহাতে তাহাকে ভীত করিয়া তুলিয়াছে। গোরার প্রতি তাহার যে মনের ভাব এতদিন তাহার অলক্ষ্যে বল পাইয়া উঠিয়াছিল এবং গোরার জেলে যাওয়ার পর হইতে যাহা তাহার নিজের কাছে সম্পূর্ণ সুস্পষ্ট এবং দুর্নিবাররূপে দেখা দিয়াছে তাহা … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-৪২ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের তেতাল্লিশতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন   পরদিন প্রাতে হরিমোহিনী ভূমিষ্ঠ হইয়া পরেশকে প্রণাম করিতেই তিনি ব্যস্ত হইয়া সরিয়া গিয়া কহিলেন, “করেন কী?” হরিমোহিনী অশ্রুনেত্রে কহিলেন, “তোমার ঋণ আমি কোনো জন্মে শোধ করতে পারব না। আমার মতো এত বড়ো নিরুপায়ের তুমি উপায় করে দিয়েছ, এ তুমি ভিন্ন আর কেহ করতে পারত না। ইচ্ছা করলেও … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-৪৩ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের চুয়াল্লিশতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন পরেশবাবুর বাসার কাছেই সর্বদা তাঁহার তত্ত্বাবধানে থাকিয়া বাস করিতে পাইবে এই কথা শুনিয়া সুচরিতা অত্যন্ত আরামবোধ করিয়াছিল। কিন্তু যখন তাহার নূতন বাড়ির গৃহসজ্জা সমাপ্ত এবং সেখানে উঠিয়া যাইবার সময় নিকটবর্তী হইল তখন সুচরিতার বুকের ভিতর যেন টানিয়া ধরিতে লাগিল। কাছে থাকা না-থাকা লইয়া কথা নয়, কিন্তু জীবনের সঙ্গে … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-৪৪ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের পয়তাল্লিশতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন হারানবাবু রণক্ষেত্রে প্রবেশ করিলেন। আজ প্রায় পনেরো দিন হইয়া গিয়াছে ললিতা স্টীমারে করিয়া বিনয়ের সঙ্গে আসিয়াছে। কথাটা দুই-এক জনের কানে গিয়াছে এবং অল্পে অল্পে ব্যাপ্ত হইবারও চেষ্টা করিতেছে। কিন্তু সম্প্রতি দুই দিনের মধ্যেই এই সংবাদ শুকনো খড়ে আগুন লাগার মতো ছড়াইয়া পড়িয়াছে। ব্রাহ্মপরিবারের ধর্মনৈতিক জীবনের প্রতি লক্ষ রাখিয়া … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!