রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর প্রথম ওহী

বোখারী শরীফে হযরত আয়েশা (রাঃ)-এর সূত্রে জিবরাঈল (আঃ)-এর প্রথম হেরা গুহায় আগমনের অবস্থা নিম্নোল্লিখিত ভাষায় বর্ণনা করেন- রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর উপর প্রথম দিকে সত্য খাবের ধারাবাহিকতা বিদ্যমান থাকে। যে খাবই তিনি দেখতেন তার ব্যাখ্যা এতটা সুস্পষ্ট, উজ্জ্বল এবং সঠিক প্রমাণিত হত, যেমন শেষ রাতে পূর্বাকাশে শুভ্র আলোক রেখা প্রকাশিত হয়ে প্রভাতের ঘোষণা দিয়ে যায়। অনন্তর নির্জনতা … বিস্তারিত পড়ুন

হেরা গুহায় ধ্যান

দিন যতই অতিক্রান্ত হচ্ছে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর হৃদয় মন বিভিন্ন চিন্তা ভাবনায় ততই বিভোর হচ্ছিল। এ সময় তাঁর বয়স পঁয়ত্রিশ বছরে উপনীত হয়েছে। দু বছর আগে থেকেই তাঁর হৃদয় জগতে ভাবান্তর আরম্ভ হয়। দিন যতই যাচ্ছে ততই তা গভীর হতে গভীরতর হচ্ছে। সদা সর্বদা তাঁর নয়ন যুগল কি যেন এক অপূর্ব জ্যোতি ভাসত। কর্ণপটে কি … বিস্তারিত পড়ুন

হাজরে আসওয়াদ স্থাপন নিয়ে তীব্র বিতণ্ডা

কুরাইশ বংশের সকল গোত্রের লোক সম্মিলিতভাবে আপন মনে কাবা ঘর পুনঃনির্মানের কাজ করে চলছে। কোথাও পারস্পরিক বিভেদ পরিলক্ষিত হয়নি। যার যার কাজ সে তা করে চলেছে। কিন্তু গন্ডগোল শুরু হল হাজরে আসওয়াদ (কাল পাথর) স্থাপন নিয়ে। প্রত্যেক গোত্রই হাজরে আসওয়াদ পুনঃ স্থাপনের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে বদ্ধ পরিকর। এ নিয়ে বাক বিতণ্ডা চরম আকার ধারণ করল। … বিস্তারিত পড়ুন

কাবা ঘর পুনঃনির্মাণ

কাবা গৃহ প্রথম দিকে নিম্ন ভূমিতে অবস্থিত একটি ছাদবিশিষ্ট গৃহ ছিল। ফলে বর্ষার সময় বৃষ্টির পানি প্রবল বেগে কাবা গৃহে প্রবেশ করত। ফলে প্রায়ই কাবা ঘর ক্ষতিগ্রস্থ হত। এ ক্ষতি থেকে কাবা ঘরকে হিফাজতের নিমিত্ত্বে চতুর্দিকে একটি প্রাচীর করা হয়, কিন্তু প্রবল স্রোতের বেগে নির্মিত এ প্রাচীরও বিধ্বস্ত হয়ে যায়। এ জন্য কাবা গৃহ পুনঃনির্মাণের … বিস্তারিত পড়ুন

নির্জনতার প্রতি আগ্রহ ও আধ্যাত্নিক জীবনের সূচনা

হযরত খাদীজা তাহেরা (রাঃ) – এর সাথে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) -এর বিবাহ কার্য সুসম্পন্ন হওয়ার পর তিনি রুজি রোজগার তথা পারিবারিক চিন্তা-ভাবনা থেকে অনেকটা মুক্ত হন। মূলতঃ এখন থেকেই তাঁর আধ্যাত্নিক জীবনের সূচনা হয়। যতই দিন যাচ্ছে ততই তাঁর নির্জনতার প্রতি আগ্রহ বাড়তে থাকে। তিনি জীবনের প্রথম থেকেই প্রতিমা উপসনার প্রতিমা উপসনার প্রতি তাঁর ঘৃণা ও … বিস্তারিত পড়ুন

হিলফুল ফুযুল গঠন

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর চাচাদের সঙ্গে হারবুল ফিজার যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন। তাঁর দায়িত্ব ছিল চাচাদের জন্য তীর কুড়িয়ে দেওয়া। এই যুদ্ধে তাঁর চাচা জুবাইর ইবনু আবদুল মুত্তালিব ছিলেন স্বগোত্রের যুদ্ধপতাকাবাহী। জুবাইর ও তাঁর ভাইয়েরা পূর্বেও ন্যায়-অন্যায়ের বহু যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাঁরা বহু স্বদেশি-বিদেশি, আত্মীয়-অনাত্মীয়কে নিজ হাতে নিহত করেছিলেন। কিন্তু কোনো যুদ্ধই তাঁদের মনে … বিস্তারিত পড়ুন

ওকাজ মেলা ও হারবুল ফেজার

প্রাক-ইসলাম যুগে হেজাযের বিশেষ বিশেষ স্থানে একেকটি মেলা অনুষ্ঠিত হত। এ সকল মেলার সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে আরবদের মাঝে সাজ সাজ রব পড়ে যেত। এ সকল মেলায় বিভিন্ন দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় বিক্রয় পুরোদমে চলত। এতদ্ব্যতীত কবিদের কবিতার লড়াই এবং গোত্র বিশারদ পন্ডিতদের মেধা প্রতিভার পরীক্ষা হত। বিভিন্ন গোত্র সম্প্রদায়ের প্রধান প্রধান কবি সাহিত্যিক প্রতিযোগী … বিস্তারিত পড়ুন

চাচা আবূ তালিবের সাথে বাণিজ্য ভ্রমণ

রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বয়স যখন বার বছর তখন একবার আবূ তালিব বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে সিরিয়ায় গমনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছিলেন। একে তো ভ্রমণ খুবই কষ্টকর বিষয় তদুপরি অনেক দূরদূরান্তরের পথ তাই হযরত আবূ তালিব প্রাণপ্রিয় কঠোর বায়না এবং আকুলি ব্যাকুলি প্রকাশে তিনি তাঁকে সফর সাথী করতে বাধ্য হন। অবশেষে আবূ তালিব তাঁকে নিয়েই সিরিয়ার পথে রওয়ানা হন। তাঁরা … বিস্তারিত পড়ুন

আবূ তালিবের দায়িত্বে শিশু নবী মুহাম্মদ (সাঃ)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আট বছর বয়সে পিতামহ আবদুল মুত্তালিব ইনতিকাল করেন। এসময় আবদুল মুত্তালিবের বয়স ছিল বিরাশি বছর। মৃত্যুর পূর্বে তিনি পুত্র আবূ তালিবের হাতে তাঁর পিতৃমাতৃহীন নাতীর প্রতিপালনের ভার অর্পণ করে যান। আবদুল্লাহ ও আবূ তালিব উভয়ে ছিলেন সহোদর ভাই। পিতার অন্তিম উপদেশ এবং নিজের স্বাভাবিক স্নেহবশত আবূ তালিব এতীম ভ্রাতুষ্পূত্রের প্রতিপালন করতে থাকেন। তিনি … বিস্তারিত পড়ুন

বিবি হালিমার কোলে সরদারে দু’আলম

মহানবী (সাঃ)-এর জন্মের পর সাতদিন মাতৃদুগ্ধ পান করেন, তারপর আটদিন ছুয়াইবার দুধপান করেন। এ ছুয়াইবা ছিল আবূ লাহাবের দাসী। মহানবীর (সাঃ) জন্মের সংবাদ নিয়ে সর্ব প্রথম সে আবূ লাহাবের কাছে গমন করলে আবূ লাহাব মহানন্দে ছুয়াইবাকে আজাদ করে দিয়েছিলেন এবং এই ছুয়াইবা হযরত হামজাকেও কিছু দিন দুধপান করিয়েছিল।তাই হযরত হামজা মহানবী (সাঃ)-এর চাচা হলেও উনি … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!