রিসালাত – পর্ব ১

হযরত ঈসা (আঃ)-এর জন্মের পূর্বে বনী ইসরাইলীরা এমন কোন খারাপ কাজ ছিল না যাতে তারা লিপ্ত হয়নি। ঈমানী ও আমলী উভয় ধরণের গোমরাহী ও পথভ্রষ্টতার কেন্দ্র করেনি। বনী ইসরাইলীরা। এমনকি তারা তাদের প্রতি প্রেরিত নবীদের হত্যা করতেও দ্বিধা করেনি। এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল হযরত ঈসা (আঃ)-এর নবুয়ত লাভের সামান্য কিছু সময় পূর্বে। তার নবুয়ত লাভের … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত লোকমান হাকীম সম্পর্কে কোরআনুল কারীম

পবিত্র কোরআনে হযরত লোকমান হাকীম সম্পর্কে আলোচিত হয়েছে এবং আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত কোরআনে সূরা লোকমান নামে একটি সূরাও সন্নিবেশিত করেছেন। যদিও পবিত্র কোরআনে তাঁর বংশ ও গোত্র সম্পর্কে কোন বিস্তারিত আলোচনা করা হয়নি। তবে তাঁর জ্ঞান ও প্রজ্ঞাপূর্ণ প্রয়োজনীয় আলোচনা হয়ে গেছে। তাই লোকমান হাকীম -এর ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে যথাসম্ভব সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে কোরআনে উদ্ধৃত … বিস্তারিত পড়ুন

তালুত ও জালুত যুদ্ধ –শেষ পর্ব

এজন্য তার প্রতিদ্বন্দ্বী খুঁজে বের করতে জটিলতা দেখা দিয়েছিল। বনী ইসরাইলদের মধ্যে স্বল্প বয়স্ক এক যুবকও ছিলেন। দেখতে যদিও তিনি তেমন কোন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তির মত নন আবার বীরত্বের দিক থেকেও খুব একটা পরিচিত ছিলেন না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনিই সবচেয়ে বেশী বীরত্বের দিলেন। তিনি হলেন হযরত দাউদ (আঃ)। তিনি তখন খুব অল্প বয়স্ক ছিলেন। তারা … বিস্তারিত পড়ুন

তালুত ও জালুত যুদ্ধ – পর্ব ২

অতঃপর তালুত তাদেরকে নিয়ে ফিলিস্তিন অভিমুখে রওয়ানা হল। পথে তারা জর্ডান নদীর কাছে এসে সকলে তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ল। তারা পানি পান করতে উদ্যত হল। এমতাবস্থায় তালুত তাদেরকে আল্লাহর ফয়সালা সম্পর্কে অবহিত করল যে, যারা পিপাসার্ত হয়ে পড়েছ তারা এ নদী হতে পানি পান করতে পারবে না। পানি পান করার অতীব প্রয়োজন বোধ করলে মাত্র এক … বিস্তারিত পড়ুন

তালুত ও জালুত যুদ্ধ – পর্ব ১

তালুত বনী ইসরাইলীদের বাদশাহ। সকল বনী ইসরাইলীই এখন তালুতের অনুগত। বাদশাহ হিসেবে তালুতকে বরণ করে নেয়ার পরই তিনি সাধারণ ঘোষণা দিয়ে দিলেন যে, ফিলিস্তিনীদের মোকাবিলা করতে হবে। ফিলিস্তিনীরা বনী ইসরাইলীদের প্রতি অত্যাচার করেছে এবং এখনও করছে। তাদের এ অত্যাচার অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। এ অবস্থার অবসান করতে হবে। এজন্য বনী ইসরাইলীদের প্রত্যেকে যেন প্রস্তুতি নেয়। … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত শামভীল (আঃ)

হযরত মূসা (আঃ)-এর ওফাতের পরই বনী ইসরাইলীদের বন্দী জীবনের অবসান হয়। এর পর হযরত ইউশা বিন নূন (আঃ) বনী ইসরাইলীদের নিয়ে ফিলিস্তিনে প্রবেশ করেছিলেন। আল্লাহ পাকের নির্দেশে তিনি ফিলিস্তিনকে তাদের মাঝে ভাগ করে দিলেন যাতে তারা শাস্তি ও নিরাপত্তার সাথে জীবনযাপন করতে পারে এবং দ্বীনে হকের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে জীবন পরিচালনা করতে পারে। হযরত ইউশা … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আলইয়াসা (আঃ)

হযরত ইলইয়াস (আঃ)-এর আলোচনায় উক্ত হয়েছে যে, হযরত ইলইয়াস (আঃ) বনী ইসরাইলী নবী হযরত ইলইয়াস (আঃ)-এর চাচাত ভাই। তাঁর বংশসূত্র হচ্ছে- আলইয়াসা তাঁর পিতা আবী তাঁর পিতা শোতাম তাঁর আযারঈন তাঁর পিতা ইউসুফ তাঁর পিতা ইয়াকুব তাঁর পিতা ইসহাক তাঁর পিতা ইবরাহীম। প্রথম জীবনের অধিকাংশ দিনগুলো তিনি হযরত ইলইয়াস (আঃ)-এর সাহচর্যেই কাটান। হযরত ইলইয়াস (আঃ) … বিস্তারিত পড়ুন

পানির ব্যবস্থা

বনী ইস্রাইলদের তীহ প্রান্তে কোন পানির ব্যবস্থা ছিল না। তারা পিপাসার্ত হয়ে হযরত মূসা (আঃ) এর দরবারে তাদের জন্য পানির ব্যবস্থা করার আবেদন জানায়। তাদের আবেদন প্রেক্ষিতে মূসা (আঃ) পানির জন্য দোয়া করেন। আল্লাহ তাআলা তার দোয়া কবূল করেন। মূসা (আঃ) এর জন্য দোয়া এবং পানি প্রান্তরে গৃহীত ব্যবস্থার বর্ণনা দিয়ে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত কালুত (আঃ)

হযরত কালুত (আঃ)-এর নসব নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। কোন কোন বর্ণনায় হযরত ইয়াকুব (আঃ)-এর পুত্র হযরত শামাউন (আঃ)-এর বংশোদ্ভুত ব্যক্তি ছিলেন কালুত। আবার কোন কোন বর্ণনায় উক্ত হয়েছে যে, হযরত কালুত (আঃ) হযরত নূহ (আঃ)-এর পৌত্র লোকনা বিন শামুনের পুত্র ছিলেন। হযরত মূসা (আঃ)-এর ভগ্নি মরিয়মের সাথে তার বিবাহ হয়েছিল। হযরত কালুত (আঃ) অত্যন্ত … বিস্তারিত পড়ুন

ইউশা বিন নূন (আঃ)

নাম ও নসবঃ হযরত ইউশা বিন নূন (আঃ) বনী ইসরাইল বংশোদ্ভূত। ঐতিহাসিকদের মতে তিনি হযরত ইউসুফ (আঃ)-এর গোত্রের লোক। তাঁর পিতার নাম নূন এবং তাঁর পিতার নাম ফারাহীম। আর ফারাহীম হযরত ইউসুফ (আঃ)-এর পুত্র। এর সাথে আমি অনেক দিন পর কথা বলে দেখতে পারি নবুয়ত লাভ মূসা (আঃ) বনী ইসরাইলীদেরকে নিয়ে যখন মিশর ত্যাগের নির্দেশ … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!