প্রথম মানুষ প্রথম নবী আদম আলাইহিস সালাম

মহাবিশ্ব ও পৃথিবী এই মহা বিশ্বে রয়েছে লক্ষ কোটি গ্রহ নক্ষত্র। মেঘমুক্ত আকাশে মাথার উপর শুন্যলোকে তাকিয়ে দেখুন, বলুনতো কী দেখতে পান? হ্যাঁ, দিনে প্রচণ্ড তেজদীপ্ত সূর্য। রাতে ঝলমল মিটমিটে তাঁরার আলো। এইতো আমরা দেখি দিবানিশি। বাপও দেখেছেন। দাদা দেখেছেন। পরদাদা দেখেছেন, পূর্বপুরুষরা সবাই দেখেছেন। কবে থেকে ওদের শুরু আর কবে যে হবে শেষ, কেউ … বিস্তারিত পড়ুন

উচ্চ মর্যাদার নবী ইদ্রীস (আঃ)

আল কুরআনে যে পঁচিশ জন নবীর নাম উল্লেখ আছে, তাঁদেরই একজন ইদ্রিস (আঃ)। মহান আল্লাহ্‌ তাঁকে অনেক উচ্চ মর্যাদা দান করেছেন। আল কুরআনে তিনি ইদ্রিস (আঃ) সম্পর্কে বলেনঃ ‘‘এই মহাগ্রন্থে ইদ্রিসের কথা স্মরণ করো। সে ছিল একজন বড় সত্যপন্থী মানুষ ও নবী। আমি তাঁকে অনেক বড় উচ্চস্থানে উঠিয়েছি।’’ (সুরা মরিয়মঃ আয়াত ৫৬-৫৭) দেখলেন তো, স্বয়ং … বিস্তারিত পড়ুন

হাজার বছরের সংগ্রামী নূহ (আঃ)

অনেক অনেক বছর হলো আদম আলাইহিস সালাম বিদায় নিয়েছেন পৃথিবী থেকে। তাঁর স্ত্রী হাওয়াও আর বেঁচে নেই। তাঁদের মৃত্যুর পর শত শত বছরের ব্যবধানে অনেক বেড়ে গিয়েছিল তাঁদের বংশধারা। এখানে সেখানে ছড়িয়ে পড়ে অসংখ্য নারী পুরুষ আদম সন্তান। ইরাকসহ বর্তমান আরব দেশগুলিই ছিল তাঁদের বসবাসের এলাকা। আদম (আঃ) এর মৃত্যুর পর দীর্ঘ দিন তাঁর সন্তানেরা … বিস্তারিত পড়ুন

আদ জাতির নবী হুদ (আঃ) – নূহ (আঃ) এর পরে

আমরা আগেই জেনেছি, নূহ (আঃ) এর সময় আল্লাহ্‌ তাঁর দ্বীনের শত্রুদের প্লাবন দিয়ে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। বাঁচিয়ে রেখেছিলেন কেবল হযরত নুহ (আঃ) আর তাঁর ঈমানদার সাথিদের। এই বেঁচে থাকা মুমিনরা আর তাদের বংশধরেরা অনেকদিন আল্লাহর বিধান আর নবীর আদর্শ মাফিক জীবন যাপন করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন পর লোকেরা আবার ভুল পথে চলতে শুরু করে। তাঁরা নবীর … বিস্তারিত পড়ুন

অগ্নী পরীক্ষায় বিজয়ী বীর ইবরাহীম (আঃ)

জন্ম ও কৈশোর হাজার হাজার বছর আগের কথা। আজ থেকে প্রায় চার হাজার বছর আগের কথা। নমরূদীয় ইরাকের ঊর নগরীতে জন্ম হয় এক শিশুর। একদিন সেই শিশুটিই হন কালের সাক্ষী এক মহাপুরুষ। ওর বাবা আজর ছিলেন বড় একজন ধর্মীয় পুরোহিত। তিনি নিজের হাতে মূর্তি তৈরি করতেন। আর ঐ মূর্তিগুলোকেই সারা দেশের মানুষ দেবতা বলে মানতো। … বিস্তারিত পড়ুন

জর্ডান অঞ্চলের নবী লুত (আঃ)

হজরত লুতের পরিচয় হজরত লুত (আঃ) আল্লাহর এক সম্মানিত নবী। তিনি সেই সব নবীদের একজন, যাদের জাতি ঈমান আনেনি। হজরত লুতের জাতি যে কেবল ঈমান আনেনি, তা নয়, বরং তাঁর জাতির লোকেরা ছিলো সেকালের সবচেয়ে পাপিষ্ঠ লোক। হজরত লুত (আঃ) সেইসব নবীদেরও একজন, যাদের জাতিকে আল্লাহ্‌ ইসলামের বিরোধিতা করার কারনে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। হজরত নূহ, … বিস্তারিত পড়ুন

কৃপণ কারূণ

তোমরা হয়তো জানো মাটির নিচে সোনা, রূপা, হীরা, মণি-মাণিক্যের খনি এবং সমুদ্রের নিচে ইয়াকুত, জমরদ, প্রবাল ও মুক্তা অনেক আছে। তোমরা শুনে আশ্চর্য হবে যে, এই সবই আগে একজন মাত্র লোকের সম্পত্তি ছিলো। এত বড়ো ধনী পৃথিবীতে আর একজনও ছিলো না এবং আর কেউ কখনো হবে না। তার সেই ধনসম্পত্তি কিরূপে ছড়িয়ে পড়লো এবং ভূগর্ভে … বিস্তারিত পড়ুন

ফেরাউন ও মুসা

মহাপ্লাবনের পর বহুকাল অতিবাহিত হয়েছে। নূহের বংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বংশে একজন পরম ধার্মিক লোক জন্মগ্রহণ করলেন, তাঁর নাম ইসরাইল। তিনি যে দেশে বাস করতেন তার নাম কেনান। মিশরের বাদশাহ ফেরাউন তাঁকে মিশরে এসে বাস করার আমন্ত্রণ করেন। তিনি ইসরাইলকে যথেষ্ট প্রীতির চক্ষে দেখতেন। ফেরাউন কালক্রমে পরলোক গমন করলে অপর একজন ফেরাউন সিংহাসনে উপবেশন করলেন। … বিস্তারিত পড়ুন

হাজেরার নির্ব্বাসন

হযরত ইব্রাহিম একবার ভ্রমণ করতে বেরিয়ে নানা স্থানে ঘুরতে ঘুরতে হারাম দেশে এসে হাজির হয়েছিলেন। সেখানে কিচুদিন বাস করার পরে সারা খাতুনকে বিবাহ করবার তার সুযোগ ঘটে। আরো কিছুকাল সেখানে কাটিয়ে তিনি মিশর রাজ্যে গিয়ে সেখানকার সুলতানের আতিথ্য গ্রহণ করলেন। সম্রাট তাঁর সৌজন্য ও সহৃদয়তার পরিচয় পেয়ে অতিশয় আকৃষ্ট হলেন এবং তাঁর ধর্মালোচনায় মুগ্ধ হয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!