বংশ মর্যাদা

বন্ধুরা, আমাদের অনেক অনেক আদর আর শুভেচ্ছা নাও। আশাকরি পরিবারের সবাইকে নিয়ে ভাল ও সুস্থ আছো। তোমরা নিশ্চয়ই জানো যে, বর্তমান পৃথিবীর ৭০০ কোটি মানুষ কোনো না কোনো পরিবারে বাস করে। এসব পরিবারে সকল সদস্যই অন্যদের কমবেশী ভালবাসে। তবে সব পরিবারই যে আদর্শ পরিবার এ কথা বলা না গেলেও বিশ্বের সকল মুসলমান ও আল্লাহর কাছে … বিস্তারিত পড়ুন

বিশ্বের অনন্য সম্রাট সুলাইমান (আঃ)

হযরত দাঊদ (আঃ)-এর মৃত্যুর পর সুযোগ্য পুত্র সুলায়মান তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর আবির্ভাবের ন্যূনাধিক দেড় হাযার বছর পূর্বে তিনি নবী হন। সুলায়মান ছিলেন পিতার ১৯জন পুত্রের অন্যতম। আল্লাহ পাক তাকে জ্ঞানে, প্রজ্ঞায় ও নবুঅতের সম্পদে সমৃদ্ধ করেন। এছাড়াও তাঁকে এমন কিছু নে‘মত দান করেন, যা অন্য কোন নবীকে দান করেননি। ইমাম বাগাভী ইতিহাসবিদগণের … বিস্তারিত পড়ুন

ইলিয়াস (আঃ)

ইলিয়াস (আঃ) ছিলেন বনী ইসরাইলদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নবী। ছিলেন বড় ইবাদাত গুজার, আল্লাহভীরু এবং বিশাল ব্যক্তিত্বের অধিকারী। কুরআন মাজীদে তাঁর নাম তিন বার উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ হয়েছে সূরা আনয়ামের ৮৫ আয়াতে এবং সূরা সাফফাতের ১২৩ ও ১৩০ আয়াতে। তিনি আল্লাহর কাছে বড় মর্যাদাবান ও সম্মানিত ছিলেন। কুরআন মাজীদে আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর উপর সালাম … বিস্তারিত পড়ুন

আলইয়াসা (আঃ)

আল কুরআনে হযরত আলইয়াসা “ইসমাঈল, আলইয়াসা, ইউনুস এবং লুত এদের প্রত্যেককেই আমি বিশ্ববাসীর উপর মর্যাদাবান করেছি।” (সূরা আল আনয়াম, আয়াত ৮৬) “আর ইসমাঈল, আলইয়াসা যুলকিফলের কথা স্মরণ করো। এরা প্রত্যেকেই ছিলো মহোত্তম।’’ (সূরা সোয়াদ, আয়াত ৪৮) আল কুরআনে হযরত আলইয়াসার নাম এই দুইটি স্থানেই উল্লেখ হয়েছে। মহান আল্লাহ তাঁকে তাঁর শ্রেষ্ঠ নবী রাসুলদের মাঝে গণ্য … বিস্তারিত পড়ুন

মাছওয়ালা নবী ইউনুস (আঃ)

“আর ইউনুস ছিলো অবশ্যই রাসুলদেরই একজন।” (আল কুরান-৩৮ ; ১৩৯) হযরত ইউনুস বিন মাত্তা (আঃ)-এর কথা পবিত্র কুরআনের মোট ৬টি সূরার ১৮টি আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। সূরা ইউনুস ৯৮ আয়াতে তাঁর নাম ইউনুস, সূরা আম্বিয়া ৮৭ আয়াতে ‘যুন-নূন’ এবং সূরা ক্বলম ৪৮ আয়াতে তাঁকে ‘ছাহেবুল হূত’ বলা হয়েছে। ‘নূন’ ও ‘হূত’ উভয়ের অর্থ মাছ। যুন-নূন ও … বিস্তারিত পড়ুন

যাকারিয়া (আঃ)

শ্রেষ্ঠ রাসুলদের একজন হযরত যাকারিয়ার নাম আপনারা নিশ্চয়ই শুনেছেন। তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠ রাসুলদের একজন। মহান আল্লাহ গোটা বিশ্ববাসীর উপর যাদের সম্মানিত করেছেন, তিনি তাঁদেরই অন্যতম। তাছাড়া তিনি সেইসব নবী রাসুলদেরও একজন, মানুষকে সত্য পথে আসার আহবান করার কারনে যাদেরকে আল্লাহর দুশমনরা যাদের হত্যা করেছিলো। তাই তিনি একজন শহীদ নবী। তিনি ছিলেন বনী ইসরাইলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ … বিস্তারিত পড়ুন

শহীদ ইয়াহইয়া (আঃ)

তাঁর জন্ম আল্লাহর একটি নিদর্শন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সমস্ত ক্ষমতার উৎস ও মালিক। এই পৃথিবীর সব তাঁর সৃষ্ট প্রাকৃতিক নিয়মে চলে। সব কিছুই তাঁর বেধে দেয়া নিয়ম ও বিধানের অধীন। কোনো কিছুতে তাঁর বেধে দেয়া নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটলে তা হয়ে যায় ধ্বংস। তাঁর বেধে দেয়া সুনির্দিষ্ট নিয়মেই জন্ম হয় সব মানুষের। নিয়ম যেহেতু তিনিই তৈরি … বিস্তারিত পড়ুন

ঈসা রুহুল্লাহ (আঃ)

হযরত ঈসা (আঃ) ছিলেন বনু ইস্রাঈল বংশের সর্বশেষ নবী ও কিতাবধারী রাসূল। তিনি ইনজীল প্রাপ্ত হয়েছিলেন। তাঁরপর থেকে শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর আবির্ভাব পর্যন্ত আর কোন নবী আগমন করেননি। এই সময়টাকে রাসূল আগমনের বিরতিকাল বলা হয়। ক্বিয়ামত সংঘটিত হওয়ার অব্যবহিত কাল পূর্বে হযরত ঈসা (আঃ) আল্লাহর হুকুমে পুনরায় পৃথিবীতে অবতরণ করবেন এবং মুহাম্মাদী শরীআত অনুসরণে ইমাম … বিস্তারিত পড়ুন

দৃপ্ত ঈমানের ফুলকি

নাম হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাঃ)। দুরন্ত সাহসী এক সাহাবী। অত্যন্ত মেধাবী ও অসাধারণ জ্ঞানী হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। তবে স্বভাবে ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী ও অতিশয় দীনহীন। তিনি খুব সাধারণবাবে জীবনযাপন করতেন। তাঁর জীবনচলায় বাহুল্য বলতে কিছু ছিল না। জাঁকজমক ও চাকচিক্য তিনি মোটেও পছন্দ করতেন না। কোনো রকমে চলতে পারলেই তিনি খুশী হতেন। একদিনের … বিস্তারিত পড়ুন

মূসা (আঃ)

মূসা ইবনে ইমরান বিন ক্বাহেছ বিন ‘আযের বিন লাভী বিন ইয়াকূব বিন ইসহাক্ব বিন ইবরাহীম (আঃ)।অর্থাৎ মূসা হ’লেন ইবরাহীম (আঃ)-এর ৮ম অধঃস্তন পুরুষ। মূসা (আঃ)-এর পিতার নাম ছিল ‘ইমরান’ ও মাতার নাম ছিল ‘ইউহানিব’। তবে মায়ের নামের ব্যাপারে মতভেদ আছে।উল্লেখ্য যে, মারিয়াম (আঃ)-এর পিতার নামও ছিল ‘ইমরান’। যিনি ছিলেন হযরত ঈসা (আঃ)-এর নানা। মূসা ও … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!