যে জাতি নিজের অবস্থা বদলায় না, আল্লাহ তাদের অবস্থা বদলান না

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেছেন যে, ‘যে জাতি বা যারা নিজের অবস্থা বদলায় না, আল্লাহ সে জাতির বা তাদের অবস্থা বদলান না। [সূরা রাদ:১১] আসলে কুরআনকে বিশ্বাস করতে হবে। এটা একটা বাধ্যতা। তবে এটা হলো আল্লাহর দেয়া অসংখ্য বাস্তবতার মাঝে একটি বাস্তবতা। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাবিশ্ব এবং এর প্রতিটি নিয়ম বা বাস্তবতা তৈরি করেছেন। … বিস্তারিত পড়ুন

উম্মতে মুহাম্মদীর পরিচয়

হযরত আবু দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ (সাঃ) কেয়ামতের দিন সব উম্মত যারা হযরত নূহ (আঃ) থেকে আপনার উম্মত পর্যন্ত দুনিয়াতে এসেছে, তাদের মধ্যে আপনার উম্মতকে কিভাবে চিনবেন? জওয়াবে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেন, ওযর চিহ্নে তাদের চেহারা আলোকিত থাকবে। হাত পা শুভ্র হবে, তারা ছাড়া অন্য কেউ … বিস্তারিত পড়ুন

আল্লাহ কোন কিছুই অনর্থক সৃষ্টি করেননি

“তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, আল্লাহ তোমাদের কল্যাণে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সমস্ত কিছু নিয়োজিত করেছেন?” [সূরা লোকমান  : ২০] “আকাশ ও পৃথিবী এবং এদের অন্তর্বর্তী কোন কিছুই আমি ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করি নাই।’’ [সূরা আম্বিয়া : ১৬, সূরা দুখান : ৩৮] উক্ত আয়াতসমূহের দাবি অনুসারে বলা যায় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সবকিছুই মানুষের কল্যাণে সৃষ্টি … বিস্তারিত পড়ুন

হাশরের ময়দানে উপস্থিতদের বিভিন্ন অবস্থা [২]

কেয়ামতের দিন সবচেয়ে বেশি ক্ষুধার্ত ব্যক্তি হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সামনে এক ব্যক্তি ঢেকুর তুলল। তিনি বললেন, ঢেকুর কম তোলো। কেননা, কেয়ামতের দিন সবচেয়ে বেশি ক্ষুধার্ত সে-ই হবে, যে দুনিয়াতে বেশির ভাগ সময় ভরা পেটে থাকত। [মেশকাত শরিফ] দুমুখী লোকের হাশর হযরত আম্মার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়াসাল্লাম … বিস্তারিত পড়ুন

জান্নাতের অপরূপ নিয়ামতের বর্ণনা

কারা জান্নাতের সুঘ্রাণ থেকে বঞ্চিত থাকবে হযরত ইবনে আমের (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী কারীম  (সাঃ) ইরশাদ করেন, যে মুসলমান চুক্তিবদ্ধ জিম্মি কাফেরকে হত্যা করেছে সে জান্নাতের সুঘ্রাণ থেকে বঞ্চিত হবে। অথচ জান্নাতের সুঘ্রাণ পাওয়া যাবে সত্তর বছরের  দূরত্ব থেকে। হযরত মাকাল ইবনে ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্ণিত হুজুর (সাঃ) বলেন, যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তাআলা তার প্রজা … বিস্তারিত পড়ুন

জান্নাতের বালাখানার বর্ণনা

প্রসিদ্ধ তাবেয়ী হযরত মুজাহিদ রহ. বলেন, জান্নাতের ভূমি হবে রৌপ্যের। হযরত সাহল বিন সাদ (রাঃ) বলেন, নবী কারীম সা. ইরশাদ করেন, জান্নাতের যমীন হবে গড়াগড়ি খাওয়ার জায়গা। তা হবে কস্তুরীর। তোমাদের জন্তুগুলোর গড়াগড়ি খাওয়ার জায়গার ন্যায়। জান্নাতের দেয়াল হবে সোনা রুপা ও কস্তুরীর হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, জান্নাতের চারটি দেয়ালের একটি ইট স্বর্ণের, আরেকটি … বিস্তারিত পড়ুন

ধন সম্পদের বিনিময়ে জান্নাতের মহল ক্রয়

জাফর ইবন সুলায়মান (রহ.) বলেন—একদিন আমি এবং মালেক ইবন দিনার (রহ.) একসঙ্গে বসরা শহরে গেলাম। ঘুরতে ঘুরতে আমরা একটি আলিশান প্রাসাদের কাছে পৌঁছালাম। এর ভেতরে প্রবেশ করে দেখলাম, মিস্ত্রী ও অন্যান্য শ্রমিকরা কাজ করছে। প্রাসাদটির একপাশে বসে আছে অত্যন্ত সুন্দর ও সুদর্শন এক যুবক। এত সুন্দর পুরুষ আমরা আগে কখনও দেখিনি। যুবকটি প্রাসাদের নির্মাণ কাজ … বিস্তারিত পড়ুন

আসহাবুল আরাফ

আরাফের পরিচয় : জান্নাতবাসী এবং জাহান্নামবাসীদের মাঝখানে একটি দেয়াল থাকবে তার নাম আরাফ। সেখানে কিছু মুসলমাকে অস্থায়ীভাবে রাখা হবে, যাদের নেকি বদি সমান সমান হবে। তারা আরাফের উপর থেকে জান্নাত জাহান্নাম দেখতে পাবে, তারা জান্নাতি এবং জাহান্নামিদের দেখে চিনবে এবং তাদের সাথে কথা বলবে। যার বিবরণ কুরআন শরীফের সূরা আরাফে বিস্তারিত আলোচিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলা … বিস্তারিত পড়ুন

হাশরের ময়দানে উপস্থিতদের বিভিন্ন অবস্থা

জাহান্নামে অধিকাংশ মহিলা এবং সম্পদশালীরা যাবে হযরত ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, আমি জান্নাতে উঁকি দিয়ে দেখলাম, তার অধিকাংশই দরিদ্র এবং আমি জাহান্নামে উঁকি দিয়ে দেখলাম, তার অধিকাংশই সম্পদশালী এবং মহিলা। [তারগীব] এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, আমি জান্নাতে প্রবেশ করলাম, দেখলাম মর্যাদাবান জান্নাতি গরীব মুহাজির এবং মোমিনদের নাবালেগ … বিস্তারিত পড়ুন

জান্নাতে প্রবেশের প্রাথমিক অবস্থা

সারওয়ারে কায়েনাত রাসূলুল্লাহ সা. জান্নাতের দরজা খুলবেন রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, কেয়ামতের দিন সমস্ত পয়গম্বর থেকে আমার অনুসারী বেশি উপস্থিত হবে। আমি সর্বপ্রথম জান্নাতের কড়া নাড়াব। [মুসলিম শরীফ] রাসূলুল্লাহ সা. আরো ইরশাদ করেন, কেয়ামতের দিন আমি জান্নাতের দরজায় এসে দরজা খুলতে বলব। জান্নাতের দারোগা প্রশ্ন করবে, আপনি কে? জওয়াব দিব আমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!