ভন্ড নবীদের প্রতিহতকরন ও তুলাইহার তওবা

তুলাইহা নামে বনু আসাদে এক লোক ছিল । একদা তার মাথায় নবুয়্যতের কু-চিন্তা ঢুকে বিদায় হজ্জ হতে ফিরে এসে । তুলাইহা নিজ কওমের মাঝে নবুয়্যতের দাবি করার পর তার কওমের লোক তার অনুগত হয় । তার বন্ধুত্ব চুক্তি ছিল ‘আসাদ’ গোত্র আর ‘তাই’ গোত্রের মধ্যে । অরা সবাই তার সাথে হাত মিলিয়ে শরীক হল এবং … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) – এর অন্তিম শয্যায় আবু বকর (রাঃ)

বিদায় হজ্জ সমাপ্ত করে হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) মদীনায় পুনরায় ফিরে আসলেন। তখন মদীনায় খাদ্যের অভাবে অনেক লোক অনাহারে দিন চালাছিল। হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) একদিন খুৎবা দিচ্ছিলেন, ঐ মুহূর্তে সংবাদ আসল যে, শাম দেশ হতে একদল বণিকের মাধ্যমে অনেক উট বোঝাই প্রচুর খাদ্য-সামগ্রী মদীনা শরীফে এসেছে। আর সে বণিকেরা উট এবং খাদ্য-সামগ্রী বিক্রি করতে চায়। হযরত … বিস্তারিত পড়ুন

নবুয়্যতের সূর্য অস্তমিত হবার পূর্বাভাস

হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) হিজরী দশম সনে হজ্জ করার জন্য মক্কা শরীফে তশরীফ আনেন। হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) – এর জীবনের শেষ হজ্জ ছিল এটাই। হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) – এর সঙ্গে হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) ছিলেন। হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) হজ্জ পালনের শেষে জনগণকে লক্ষ্য করে বললেন, “হে আমার উম্মতগণ! মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিজের কোন একজন … বিস্তারিত পড়ুন

আবু বকর (রাঃ)-এর শাসন ব্যবস্থা

রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থাঃহযরত আবু বকর (রাঃ) তাঁর শাসন ব্যবস্থাকে ইসলামের নিয়ম কনুন অনুসারে পরিচিলিত করেছিলেন। তাঁর সামনে কোন বিষয় উপস্তিত হলে তিনি প্রথমে পবিত্র কু’রআনে তাঁর সুষ্ঠু সমাধান খুঁজতেন আর কুরআনে না পাওয়া গেলে হাদীসে অনুসন্ধান করতেন। আর যদি হাদীসে না পাওয়া যেত তাহলে তিনি জ্ঞানী-গুনী মুসলমানদের সাধারন সভা আহবান করতেন।মজলিসে শূরাঃহযরত আবু বকর সিদ্দীকি … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জন্মের পূর্বে আরবদের সামাজিক অবস্থা

সায়লে আরেমের পর ইয়ামেনের বাসিন্দাগণ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। তাদের একটি শাখা ইরাকের হীরায় উপনিবেশ স্থাপন করল। অপর একটি শাখা সিরিয়ায় চলে গেল। প্রথম শাখাটি বনু লখম এবং দ্বিতীয় শাখাটি বনু গাচ্ছান নামে বিখ্যাত হয়েছে। ইয়ারেব কাহতানের আওলাদগণ মক্কায় আরব এবং ইয়াছবের মদিনায় বসতি স্থাপন করে। এ কারণে  ইয়ারেবের নামানুসারে মক্কাকে আরব এবং ইয়াছরেবের নামানুসারে … বিস্তারিত পড়ুন

আবু বকর (রা.)-এর শ্রেষ্ঠত্ব

পবিত্র কুরআন শরীফ আর হাদিসে হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর খলিফা বলে নির্ধারিত কাউকে উল্লেখ করার কথা পাওয়া যায় নি । এরপরও হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর অনেক সময়ের কথা ও কর্মের মধ্যে এমন কিছু আভাস পাওয়া যায়, যাতে বুঝা যায় যে হযরত আবু বকর (রা.)-ই খলিফা হবার যোগ্যতা রাখেন । হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর কর্মের মধ্যে … বিস্তারিত পড়ুন

মাতৃগর্ভে মহানবী (সাঃ)

 হযরত আমেনার গর্ভে যখন মহামানব সৃষ্টির স্তর পার হচ্ছেন তখন হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) নূর আবদুল্লাহর পৃষ্টদেশ হতে মাতা আমেনার গর্ভে স্থান পেল। তখন এক রাত্রে আমেনা স্বপ্নে দেখেন, তাকে সুসংবাদ দেয়া হচ্ছে, তুমি শ্রেষ্ঠ মানব, কুল মাখলুকাতের সর্দারকে গর্ভে ধারণ করেছ। আসমান জমিনের অধিবাসী কর্তৃক তিনি প্রশংসিত। গর্ভাবস্থায় হযরত আমেনা একটি নূর দেখেন যার আলোতে … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জন্মের পূর্বে জমজম কূপের পুনঃখনন-শেষ পর্ব

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জন্মের পূর্বে জমজম কূপের পুনঃখনন-৩য় পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন আবদুল্লাহ হযরত ইসমাইল (আঃ) এর ন্যায় পিতার ছুরির নিচে গলা পেটে দিলেন। আবদুল মুত্তালিব ও আল্লাহর এশকে পাগল হয়ে গেলেন এবং পুত্রকে কুরবানী দেয়ার প্রস্তুতি নিলেন। কিন্তু আবদুল্লাহর কোমল চেহারা সমগ্র আরববাসীকে পূর্ব হতেই মুগ্ধ করে রেখেছিল। সকলের অন্তরে তাঁর স্নেহ ও … বিস্তারিত পড়ুন

আবদুল্লাহর সাথে আমেনার বিবাহ

আব্দুল্লাহ অত্যন্ত সুপুরুষ, সুশ্রী ও অসীম সাহসের অধিকারী ছিলেন এবং খতামুন্নাবীয়িনের নূর মোবারক আবদুল্লাহর ললাটে সোভা পাচ্ছিল। তাঁর চেহারা মোবারক দর্শনে যে কোন দর্শক তাঁর প্রতি আসক্ত হয়ে যেত। তাই তিনি রাস্তায় বের হওয়ার সময় চেহারা ঢেকে বের হতেন। ইহুদীগণ তাওরাত কিতাবের ইঙ্গিতে বুঝতে পারলেন যে, শেষ নবী আগমনের সময় অতি নিকটবর্তী এবং তার নিদর্শন … বিস্তারিত পড়ুন

তাবুক যুদ্ধ

চতুর্দিকে অনেক রাজ্যবর্গ ইসলাম গ্রহন করলেন, এ জন্য মুসলিম বাহীনির শক্তি আরও বেড়ে গেল। কিন্তু রোমের খ্রিস্টান শাসনকর্তা হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জনপ্রিয়তা, প্রতিপত্তি এবং প্রভাবকে সমুলে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য মক্কা আক্রমনের জন্য তৈরি হতে লাগলেন । হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর কানে এ খবর যথাসময়ে পৌঁছে গেল । রোমের সম্রাট ছিল খুব প্রভাবশালী । … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!