ছামুদ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অবস্থা ও দ্বীনের দাওয়াত

পূর্ববর্তী সম্প্রদায়গুলোর ন্যায় ছামুদ সম্প্রদায়ও মূর্তি পূজক ছিল। মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্‌ পাককে বাদ দিয়ে মূর্তি পূজা ও শিরকের মধ্যে লিপ্ত হয়ে পরেছিল। তাঁদের সংশোধন ও হেদায়েতের জন্য আল্লাহ্‌ পাক হযরত ছালেহ (আঃ) কে প্রেরণ করলেন। হযরত ছালেহ (আঃ) নবুয়ত প্রাপ্ত হওয়ার পর স্বীয় সম্প্রদায়কে শিরক ও মূর্তি পূজা ত্যাগ করে আল্লাহ্‌ পাকের ইবাদাতের প্রতি আহ্বান … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ছালেহ (আঃ) এর বংশ পরিচয়

হযরত ছালেহ (আঃ) ছামুদ সম্প্রদায়ের লোক। তিনি স্বীয় সম্প্রদায়ের জন্য নবী হয়ে আগমন করেছিলেন। তাঁর বংশ পরস্পরা সম্পর্কে তাফসীরকারকদের একাধিক অভিমত পাওয়া যায়। প্রসিদ্ধ হাফেজে হাদীস ইমাম বগবী (রহঃ) বলেন যে, হযরত ছালেহ (আঃ) এর বংশ পরস্পরা নিম্নরূপ। হযরত ছালেহ (আঃ) পিতার নাম ওবায়েদ। পিতামহের নাম আসিব। আসিবের পিতার নাম মাসেহ। মাসেহের পিতার নাম ওবায়েদ। … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর কাবা গৃহের সংস্কার

পবিত্র কা’বাগৃহ তখন ছাদবিহীন একটি ঘর ছিল। চারপার্শ্বের ভূমি হতে তা নিচু থাকায় চতুর্দিকে বৃষ্টির পানি ঘরের ভিতর প্রবেশ করত। এভাবে কা’বাগৃহের অনেক ক্ষতি সাধিত হয়েছিল। অপরদিকে কা’বাগৃহের মধ্যে একটি গর্ত ছিল যেখানে মানুষের আমানতের মাল এবং কা’বাগৃহের হাদীয়া ইত্যাদি দাফন করে রাখা হত। একদা জনৈক দুওয়াইক নামক ব্যক্তি সেখান হতে বহু মূল্যবান বস্তু চুরি … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-আল-আমীন

মক্কা শরীফের বতনে নখলা ও তায়েফের মাঝামাঝি একটি শহর ছিল যার নাম ছিল ফাতক। সে শহরের নিকট একটি বিশাল প্রান্তে বছরে একবার মেলা বসত। যেখানে দূর দুরান্তের লোকজন আগমন করত। ঐ বাজারের নাম ছিল ছুক্বে ওকাজ। সে বাজারে ব্যবসায়ীকে মালামাল বেচাকেনা হত এবং প্রত্যেক গোত্র কবিতার মাধ্যমে তাদের পূর্ব পুরুষের গুণ গরিমা বর্ণনা করে অন্য … বিস্তারিত পড়ুন

মালেক বিন নুওয়াইরার হত্যাকান্ড

যাকাত আদায়ে বাঁধা দিয়ে মালেক বিন নুওয়াইরা মুসলমানদের সঙ্গে যুদ্ধ করেন। তখন গৃহযুদ্ধ চলছিল বনু তামীমে। ঠিক ঐ মুহূর্তে তাগলব গোত্রের ‘সজাহ’ নামের এক মহিলা তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। এ মহিলা সর্বপ্রথমে ছিল খ্রিস্টান। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এন্তেকাল এর পর ঐ খ্রিস্টান মহিলাকেও নবুয়্যতের কু-চিন্তায় ধরে বসে এবং আরবের লম্পট কিছু লোক তার সাথী হয়। … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর মাতৃ বিয়োগ

যখন নবীজীর বয়স ছয় বছর তখন তাঁর মাতা হযরত আমেনা (রাঃ) শিশু মুহাম্মাদকে নিয়ে স্বামী আবদুল্লাহর কবর যিয়ারতের উদ্দেশ্যে মদিনায় গমন করেন। ধাত্রী উম্মে আইমানকে তিনি সাথে নিয়ে যান। মাসাধিক কাল যেখানে অবস্থান করার পর ফেরার পথে মোকামে আবাওয়া নামক স্থানে পৌঁছালে মাতা আমেনা রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েন। জীবনের আশা ত্যাগ করেন। মুমূর্ষ জননীর শিহরে বসে … বিস্তারিত পড়ুন

ভন্ড নবীদের প্রতিহতকরন ও তুলাইহার তওবা

তুলাইহা নামে বনু আসাদে এক লোক ছিল । একদা তার মাথায় নবুয়্যতের কু-চিন্তা ঢুকে বিদায় হজ্জ হতে ফিরে এসে । তুলাইহা নিজ কওমের মাঝে নবুয়্যতের দাবি করার পর তার কওমের লোক তার অনুগত হয় । তার বন্ধুত্ব চুক্তি ছিল ‘আসাদ’ গোত্র আর ‘তাই’ গোত্রের মধ্যে । অরা সবাই তার সাথে হাত মিলিয়ে শরীক হল এবং … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) – এর অন্তিম শয্যায় আবু বকর (রাঃ)

বিদায় হজ্জ সমাপ্ত করে হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) মদীনায় পুনরায় ফিরে আসলেন। তখন মদীনায় খাদ্যের অভাবে অনেক লোক অনাহারে দিন চালাছিল। হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) একদিন খুৎবা দিচ্ছিলেন, ঐ মুহূর্তে সংবাদ আসল যে, শাম দেশ হতে একদল বণিকের মাধ্যমে অনেক উট বোঝাই প্রচুর খাদ্য-সামগ্রী মদীনা শরীফে এসেছে। আর সে বণিকেরা উট এবং খাদ্য-সামগ্রী বিক্রি করতে চায়। হযরত … বিস্তারিত পড়ুন

নবুয়্যতের সূর্য অস্তমিত হবার পূর্বাভাস

হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) হিজরী দশম সনে হজ্জ করার জন্য মক্কা শরীফে তশরীফ আনেন। হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) – এর জীবনের শেষ হজ্জ ছিল এটাই। হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) – এর সঙ্গে হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) ছিলেন। হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) হজ্জ পালনের শেষে জনগণকে লক্ষ্য করে বললেন, “হে আমার উম্মতগণ! মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিজের কোন একজন … বিস্তারিত পড়ুন

আবু বকর (রাঃ)-এর শাসন ব্যবস্থা

রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থাঃহযরত আবু বকর (রাঃ) তাঁর শাসন ব্যবস্থাকে ইসলামের নিয়ম কনুন অনুসারে পরিচিলিত করেছিলেন। তাঁর সামনে কোন বিষয় উপস্তিত হলে তিনি প্রথমে পবিত্র কু’রআনে তাঁর সুষ্ঠু সমাধান খুঁজতেন আর কুরআনে না পাওয়া গেলে হাদীসে অনুসন্ধান করতেন। আর যদি হাদীসে না পাওয়া যেত তাহলে তিনি জ্ঞানী-গুনী মুসলমানদের সাধারন সভা আহবান করতেন।মজলিসে শূরাঃহযরত আবু বকর সিদ্দীকি … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!