মালেক বিন নুওয়াইরার হত্যাকাণ্ড

যাকাত আদায়ে বাধা দিয়ে মালেক বিন নুওয়াইরা মুসলমানদের সঙ্গে যুদ্ধ করেন।  তখন গৃহযুদ্ধ চলছিল বনু তামীমে।  ঠিক ঐ মুহূর্তে তাগলব গোত্রের সজাহ নামের একজন মহিলা তাঁদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল।  এ মহিলা সর্বপ্রথমে ছিল খ্রীষ্টান। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এন্তেকালের পর ঐ খ্রিষ্টান মহিলাকেও নবুয়্যতের কু-চিন্তা ধরে বসে এবং আরবের লম্পট  কিছু লোক তাঁর সাথী হয়।  সে … বিস্তারিত পড়ুন

চোর শয়তানের থেকে সুরক্ষার উপায়

(হাদিস) বর্ণনায় হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) জনাব রাসূলে পাক (সাঃ) একবার আমাকে রমজানের যাকাত (ফিত্রা-সামগ্রী) পাহারা দেবার কাজে নিজুক্ত করেন। সেই সময় (রাতে) আমার কাছে এক আগুন্তুক এসে খাদ্যবস্তু নিয়ে মুঠোয় ভরতে শুরু করে। আমি তাকে ধরে ফেলে বলি, তোমাকে নবীজীর হাতে তুলে দেব। সে বলে, আমি গরীব, আমার পরিবার-পোষ্য বেশী এবং আমি খুবই আভাবী। … বিস্তারিত পড়ুন

কুরআনের খিদমত

পবিত্র কুরআনের খিদমত করা এবং চিরকালের জন্য সুশৃঙ্খলভাবে লিখিত আকারে নকল করে রাখাও একটি ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল। না হয় পরবর্তী আমলে এ নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। কারণ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আমলে অনেক হাফেজ মৃত্যুবরণ করেছিলেন। এর পর আবার ১২০০ শত কোরআনের হাফেজ ইয়ামামার যুদ্ধেই ইন্তেকাল করলেন। তখন অনেকের কাছেই আংশিকভাবে পবিত্র … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু বকর (রাঃ) এর চারিত্রিক স্বভাব

আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) নিরব জীবন যাপন করতে বেশি পছন্দ করতেন।  তিনি পার্থিব উন্নতি এবং মর্যাদা পছন্দই করতেন না। আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) খুবই সাদা-সিধে গরিবের মত জীবন-যাপন করতে ভালবাসতেন। তিনি এন্তেকালের পূর্ব পর্যন্ত কোন কাজ পবিত্র কুরআনের বিরুদ্ধে করেন নি। তাঁর সব চেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল তাকওয়া।  তিনি যদি ভুলবশত কোন খারাপ কর্ম করা … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু বকর (রাঃ) এর অমূল্য বাণী –শেষ পর্ব

যুদ্ধের ময়দানে কাফিরদের সঙ্গে জিহাদ করা জিহাদে আসগর’ অথবা খুব ছোট জিহাদ, আর তোমার নিজের নফসের সাথে যুদ্ধ করা সবচেয়ে বড় জিহাদ বা জিহাদে আকবর।  যে লোক পরকালের জন্য এ দুনিয়াকে একেবারে ছেড়ে দেয়, সে লোক উত্তম নয়। বরং উত্তম সে লোক যে লোক দুনিয়া এবং আখিরাত উভয়টির হক্ব রক্ষা করে চলে।  যে কোন কর্ম … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু বকর (রাঃ) এর অমূল্য বাণী – পর্ব ১

কথা একেবারে সংক্ষিপ্ত করবে, কারণ বেশি কথা বললে জ্ঞান শক্তি নষ্ট হয়ে যাবে।  অভাবগ্রস্থ, ব্যক্তিদের নিকট সদয় এবং খুব নম্রভাবে সদকা পেশ করবে। স্মরণ রাখবে, এটি মহান আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীনের নিকট সদকা কবুল হওয়ার পূর্ব শর্ত। এ পৃথিবীকে তুমি সুন্দর করে সাজানোর  জন্য সাধনায় লিপ্ত রয়েছে। কিন্তু এ দুনিয়া তোমাকে তাঁর মধ্য হতে বের করার … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত যায়েদ বিন সাবিত (রাঃ)-এর চোর জ্বিন

হযরত যায়েদ বিন সাবিত (রাঃ) একদিন তাঁর (বাগান অথবা বাড়ির) পাঁচিলের কাছে লাফানোর আওয়াজ শুনতে পেয়ে বলেন, কী ব্যাপার? তখন এক জ্বিন বলে, আমাদের উপর দুর্ভিক্ষ পড়েছে। তাই আমি আপনার ফল থেকে কিছু নিতে চাচ্ছি। উপহার স্বরূপ আপনি কিছু দেবেন কি? হযরত যায়েদ বিন সাবিত (রাঃ) বলেন, কেন দেন না। এরপর তিনি বলেন, আচ্ছা, তুমি … বিস্তারিত পড়ুন

কিবলা পরিবর্তনের কাহিনী-শেষ পর্ব

এমনিভাবে ফিরবে যেন কাতার সমূহের তরতীব (সিরিয়াল) ঠিক থাকে। অর্থাৎ বয়স্ক পরুষগণ ইমামের পেছনে এবং তারপর শিশু ও তারপর মহিলার কাতার থাকে। এ আদেশের সঙ্গে সঙ্গে রাসূল (সাঃ) সমস্ত মুসল্লী উত্তর দিক হতে দক্ষিণ দিকে ছফের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখে ফিরে গেলেন। অবশিষ্ট দু’রাকাত কা’বামুখী হয়ে আদায় করলেন। উল্লেখ্য যে, তখনকার যুগে নামজের সংশোধনের জন্য নামাজ … বিস্তারিত পড়ুন

কিবলা পরিবর্তনের কাহিনী-পর্ব ১

আবদুল্লাহ বিন জাহাশের সারিয়া রজব মাসে প্রেরিত হয়েছিল। সে মাসেই তাহবীলে কিবলা হয়েছিল। অর্থাৎ হিজরতের ষোল মাস পরের দ্বিতীয় হিজরীতে রজব মাসের পনের তারিখ সোমবারে জোহরের নামাজে মসজিদে বনী ছালেমাতে কিবলা পরিবর্তন হয়। হিজরতের পূর্বে মক্কায় অবস্থানকালে হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) খানায়ে কাবা ও বায়তুল মুকাদ্দাস উভয় কিবলাকে সামনের দিকে রেখে নামাজ পড়তেন। হিজরতের পর মদীনার … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মারইয়ামের জন্ম ও কর্ম জীবন – পর্ব ২

হযরত মারইয়ামের জন্ম ও কর্ম জীবন – পর্ব ১ পড়তে এখানে ক্লিক করুন পানির উপর ভেসে থাকল। তখন সকলে হযরত জাকারিয়া (আঃ) কে অনুরোধ করলেন মারইয়াম এর প্রতিপালনের জন্য। হযরত জাকারিয়া (আঃ) সকলের অনুরোধে মারইয়াম এর প্রতিপালনের দায়িত্ব গ্রহন করলেন। তিনি মারইয়ামের জন্য বাইতুল মোকাদ্দাসের মধ্যে এক পাশে একটি কক্ষ নির্ধারিত করে দিলেন। সেখানে বসে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!