কিন্দাহ গোত্রকে দাওয়াত প্রদান

হযরত ইবনে রোমান ও হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আবি বকর (রাঃ) বলেন, উকাযের মেলায় রাসূল (সাঃ) কিন্দার লোকদের নিকট গমন করিলেন। তিনি তাহাদের ন্যায় নম্র স্বভাবের আর কোন আরবগোত্র ইতিপূর্বে পান নাই। তিনি তাহাদের নম্র ও সহাস্য ব্যবহার দেখিয়া তাহাদের সহিত কথা বলিতে লাগিলেন। তিনি বলিলেন, আমি তোমাদিগকে এক আল্লাহর প্রতি দাওয়াত দিতেছি যাহার কোন শরীক … বিস্তারিত পড়ুন

ওলীদ ইবনে মুগীরাহকে দাওয়াত প্রদান

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে যে, ওলীদ ইবনে মুগীরাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসিলে তিনি তাহাকে কোরআন পড়িয়া শুনাইলেন। কোরআন শুনিয়া বাহ্যিকভাবে তাহার মন একটু গলিয়া গেল। আবু জেহেল এই সংবাদ পাইয়া তাহার নিকট আসিয়া বলিল, চাচা, আপনার কওম আপনার জন্য মালদৌলত জমা করিতে ইচ্ছা করিয়াছে। সে বলিল, কেন? আবু জেহেল বলিল, … বিস্তারিত পড়ুন

আবু জেহেলকে দাওয়াত প্রদান

হযরত মুগীরা ইবনে শোবা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেদিন সর্বপ্রথম আমি চিনিলাম সেদিনকার ঘটনা এইরূপ যে, আমি ও আবু জেহেল ইবনে হেশাম মক্কার কোন এক গলি দিয়া যাইতেছিলাম। এমন সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহিত আমাদের সাক্ষাৎ হইল। তিনি আবু জেহেলকে বলিলেন, হে আবুল হাকাম, আল্লাহ্‌ ও তাহার রাসূলের নিকট আস, আমি তোমাকে … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু কোহাফা (রাঃ) কে দাওয়াত প্রদান

হযরত আসমা বিনতে আবি বকর (রাঃ) বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু কোহফা (রাঃ) কে বলিলেন, ইসলাম গ্রহণ কর নিরাপদ থাকিবে। অপর রেওয়ায়াতে আছে, হযরত আসমা (রাঃ) বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় প্রবেশ করিলেন এবং শান্ত হইয়া মসজিদে বসিলেন তখন হযরত আবু বকর (রাঃ) আবু কোহাফা (রাঃ) কে তাহার নিকট … বিস্তারিত পড়ুন

অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তিকে ইসলামের দাওয়াত প্রদান

বালআদাভিয়া গোত্রের এক ব্যক্তি বলেন, আমার দাদা আমার নিকট তাহার ইসলাম গ্রহণের ঘটনা বর্ণনা করিয়া যাইয়া বলিয়াছেন যে, আমি মদীনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হইয়া উহার নিকটবর্তী এক উপত্যকায় পৌছিলাম। সেখানে দেখিলাম, দুই ব্যক্তি একটি বকরী ক্রয়-বিক্রয় করিয়াছে। ক্রেতা বিক্রেতাকে বলিতেছে, ক্রয় বিক্রয়ের ব্যাপারে আমার সহিত সদ্ব্যবহার কর। আমার দাদা বলেন, আমি মনে মনে বলিলাম, এই সেই … বিস্তারিত পড়ুন

নিকট আত্মীয়দিগকে ইসলামের দাওয়াত

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তায়ালা যখন এই আয়াত নাযিল করিলেন-وأنذر عشيرتك الأقربين অর্থঃ আপনার নিকট আত্মীয়দের ভয় প্রদর্শন করুন। তখন নবী কারীম রাসূল (সাঃ) বাহির হইয়া মারওয়া পাহাড়ে আরোহণপূর্বক উচ্চকণ্ঠে বলিলেন, হে ফেহেরের বংশধরগণ! আওয়াজ শুনিয়া সকল কুরাইশ সমবেত হইল। আবু লাহাব ইবনে আবদুল মুত্তালিব বলিল, এই যে ফেহেরের বংশধরগণ আপনার নিকট উপস্থিত … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ওমর ইবনে খাত্তাব (রঃ) কে ইসলামের দাওয়াত প্রদান

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, রাসূল (সাঃ) দোয়া করিলেন, আয় আল্লাহ, ওমর ইবনে খাত্তাব অথবা আবু জেহেল ইবনে হেশামের দ্বারা ইসলামকে শক্তিশালী করুন। সুতরাং আল্লাহ তায়ালা রাসূল (সাঃ)-এর এই দোয়া হযরত ওমর (রাঃ)-এর পক্ষে কবুল করিলেন। আল্লাহ তায়ালা তাহার দ্বারা ইসলামের বুনিয়াদকে মজবুত ও মূর্তিপূজার মহলকে ধ্বংস করিলেন। হযরত সাওবান (রঃ) হইতে বর্ণিত একটি … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু বকর সায়দালানী (রঃ)

পারস্যের খোরাসান প্রদেশের অসাধারণ আলোকময় পুরুষ ছিলেন হযরত আবু বকর সায়দালানী (রঃ)।  মানুষ তাঁকে সৌভাগ্যের সূর্য ও সাধনার ঝরনা স্বরূপ মনে করতেন।  হযরত শিবলী (রঃ)- ও তাঁকে যথেষ্ট সম্মান করতেন।  তার মৃত্যু হয় ৪৩০ হিজরী নিশাপুরে।  কথিত আছে, তিনি নাকি আশ্চর্য সুদর্শন পুরুষ ছিলেন।  তার কথাগুলি খুবই জ্ঞানগর্ভ ও তত্ত্বপূর্ণ।  যথাঃ ১।  এ দুনিয়া এক … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত শায়খ আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব সাকাফী (রঃ)

নিশাপুরের মাশায়েখদের ইমাম ও প্রিয় মানুষ হলেন হযরত শায়খ আবু আলী মুহাম্মদ (রঃ)। গুপ্ত ও প্রকাশ্য উভয় বিদ্যায় বিদ্ব্যান এই তাপস ফেকাহ ও হাদিসশাস্ত্রেও সুপণ্ডিত ছিলেন। মারেফাত তত্ত্বে আত্মনিয়োগের পর তিনি অবশ্য প্রকাশ্য বিদ্যাচর্চা থেকে সরে যান। তিনি হযরত আবু হাফস (রঃ) ও হযরত হামদুন (রঃ)-এ সান্নিধ্য লাভ করেন। ৩২৮ হিজরীতে এই শীর্ষস্থানীয় আলেম দরবেশ … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু নসর সাররা (রঃ)

হযরত আবু নসর সাররাজ (রঃ) দরবেশগণের ময়ূর বা দরবেশগণের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি নামে পরিচিত ছিলেন। নামেই বোঝা যায়, শরীয়তে বা মারেফাতে তিনি কতখানি উচ্চ মর্যাদার অধিকারী ছিলেন। বস্তুতঃ তাঁর গুণবৈশিষ্ট্য অবর্ণনীয়। আত্ম-নিগ্রহ ও কঠোর সাধনায় তিনি এক শিখরস্পর্শী সাধক ছিলেন। লোমহ নামে এক বিখ্যাত গ্রন্থের তিনি রচয়িতা। তুস শহরে হযরত আবু নসর (রঃ)-এর বসবাস ছিল। হযরত … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!