‘আবুবকর পরবর্তী খলীফাদের বড় মুস্কিলে ফেলে গেলেন’—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

হযরত আবুবকর ছিদ্দীক (রাঃ) মুসলিম জাহানের খলীফা হন। খলিফা নির্বাচিত হবার কয়েক দিন পরের ঘটনা। একদিন নতুন চাদরের একটি বোঝা নিয়ে হযরত খলীফা বাজারে যাচ্ছিলেন বিক্রি করার জন্য। পথে হযরত উমার (রাঃ) পড়লেন এবং বললেন, “কোথায় চললেন?” হযরত আবুবকর (রাঃ) উত্তর দিলেন, “বাজারে যাচ্ছি।” হযরত উমার (রাঃ) বুঝলেন, খলীফা হওয়ার আগে হযরত আবুবকর (রাঃ) যে … বিস্তারিত পড়ুন

বাবলা তলার শপথ —আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

৬ষ্ঠ হিজরীর জিলকদ মাস। হজ্জযাত্রার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে আরবের দিকে। এই মাস থেকে আগামী তিন মাস মক্কাভূতে যুদ্ধবিগ্রহ বন্ধ থাকবে, মানুষ ভুলে যাবে তাদের দ্বেষ-দ্বন্দের কথা। এই উপলক্ষে মহানবী (সাঃ) মক্কায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। ঘোষণা করে দিলেন তাঁর সিদ্ধান্তের কথা। আনন্দ ও উৎসাহের বন্যা বয়ে গেল মদীনায়। নির্দিষ্ট দিন এলো। যাত্রা করলেন মহানবী (সাঃ)। তিনি … বিস্তারিত পড়ুন

উমার ইবনে ইয়াসিরের নামায—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

নবী (সাঃ) কোনো এক যুদ্ধ থেকে ফিরছিলেন। এক পাহাড়ি এলাকায় এসে সন্ধ্যা হলো। পাহাড়ের এই উপত্যকায় রাত্রি কাটাবেন বলে তিনি মনস্থ করলেন। তিনি পাহাড় থেকে কিঞ্চিৎ দূরে সমতল উপত্যকায় তাঁবু খাটাতে নির্দেশ দিলেন। রাত্রিবাসের সব ব্যবস্থা সম্পন্ন হলে তিনি সাহাবাদের জিজ্ঞেস করলেন, “কাফেলা ও সৈন্যদলের পাহারায় আজ কাদের রাখা যাবে?” অমনি একজন মুহাজির ও একজন … বিস্তারিত পড়ুন

যে মৃত্যু বিজয় আনে—আমরা সেই সে জাতি –আবুল আসাদ

আরবের আগুনঝরা মধ্যাহ্ন। ঊর্ধ্বাকাশ থেকে মরু-সূর্য যেন আগুন বৃষ্টি করছে। মরুর লু-হাওয়া আগুনের দাবদাহ নিয়ে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দিচ্ছে চারদিক। এমনি সময়ে আগুনঝরা মরুভূমির বুকে নির্যাতন চলছে এক নারীর উপর—সুমাইয়ার উপর। ইসলাম প্রচারের শুরুতেই যাঁরা রাসূলের (সা.) আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলেন, সুমাইয়া তাঁদেরই একজন। সুমাইয়ার নারীদেহ ভঙ্গুর, স্পর্শকাতর; কিন্তু আত্মা তা অজেয়। বক্ষে তাঁর বিশ্বাস-ঈমানের দুর্জয় শক্তি ও … বিস্তারিত পড়ুন

বড় লাভের ব্যবসা করলে, সুহাইব—আমরা সেই সে জাতি –আবুল আসাদ

নবুওয়াতের তখন একদম শিশুকাল। নবুওয়াতের বাতি জ্বলছে। জ্বলছে মক্কার ছোট গণ্ডির মধ্যে। জাহিলিয়াতের অন্ধকার এই আলোকশিখাকে গলাটিপে মারার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টায় রত। কিন্তু নবুওয়াতের আলোকশিখা যে আলোক শিশু তৈরি করেছে, তারা জগতজোড়া সহনশীলতা নিয়ে নীরবে আত্মরক্ষা করছে। এ ধরনেরই এক আলোকশিশু হযরত সুহাইব (রা)। অত্যাচারের স্টিম রোলার চলছে তাঁর উপর। চরম সহনশীলতার প্রতীক সুহাইব সব অত্যাচার … বিস্তারিত পড়ুন

প্রয়োজন চুক্তির চেয়ে বড় হলো না—আমরা সেই সে জাতি –আবুল আসাদ

বদর যুদ্ধের জোর প্রস্তুতি চলছিল তখন মদীনায়। মক্কার দিক থেকে অহরহ খবর এসে পৌঁছাচ্ছে—বিপুল সজ্জা আর বিরাট বাহিনী ছুটে আসছে মদীনার দিকে। কিন্তু তার তুলনায় মদীনায় যুদ্ধ প্রস্তুতি কিছুমাত্র নেই। যুদ্ধের সাজ-সরঞ্জাম যেমন স্বল্প, তেমনি মুসলিম যোদ্ধার সংখ্যাও নগণ্য। প্রতিটি সাহায্য, প্রতিটি সহায়তাকারীকেই তখন সাদরে স্বাগত জানানো হচ্ছিল। এমন সময় হুযাইফা মরুভূমির দীর্ঘ পথ পাড়ি … বিস্তারিত পড়ুন

মৃত্যু যেখানে মধুর—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

৬২৩ খ্রিষ্টাব্দের ২রা হিজরী সনের কথা। ইসলামী রাষ্ট্র তখন সবেমাত্র শিশু। একজন আরব শেখ নবীর (সাঃ) কাছে এক দূত পাঠিয়ে বললেন, “আমার দলের লোক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে উৎসুক, কিন্তু এখানে উপযুক্ত কোন ধর্ম প্রচারক নেই। আপনি যদি কয়েকজন জ্ঞানী ব্যক্তিকে এই উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেন তবে আমরা বিশেষ বাধিত হবো।” আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কয়েকজন ধর্ম … বিস্তারিত পড়ুন

পতাকাবাহী মুসআব—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

মুসআব। ধনীর দুলাল মুসআব। প্রাচুর্যের মধ্যে যাঁর জীবন গড়ে উঠেছে, সেই মুসআব সত্যের পথ, দুঃখের পথ গ্রহণ করে ফকির হলেন। সহায় নেই, সম্বল নেই, আত্মীয়স্বজন তাঁর প্রতি বিরূপ। একমাত্র সম্বল—একমাত্র পাথেয় তাঁর আল্লাহর প্রেম, সত্যের বাণী। তাঁকে বন্দী করে রাখা হলো। বেপরোয়া নির্যাতন চালানো হলো তাঁর দেহ ও মনের উপর। বন্দীর শৃঙ্খল ভেঙ্গে একদিন তিনি … বিস্তারিত পড়ুন

উহুদ প্রান্তরের প্রথম শহীদ—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

উহুদ যুদ্ধ সমাগত। মদীনার এক পল্লী–কুটিরে যুদ্ধসাজে সজ্জিত হচ্ছেন হযরত আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন হারাম। হাসি যেন তাঁর মুখ থেকে উপচে পড়ছে। যুদ্ধে বের হওয়ার আগে তিনি পুত্র জাবিরকে ডেকে বললেন,“পুত্র! আমার অন্তর বলছে, এ যুদ্ধে আমিই সর্বপ্রথম শাহাদাত বরণ করব।”কথা বলার সময় তাঁর মুখের হাসি দেখে মনে হয়, যেন তিনি ঈদের আনন্দে সামিল হতে … বিস্তারিত পড়ুন

আবদুল্লাহ ও সা’দের আভিলাষ—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

উহুদের যুদ্ধক্ষেত্র। যুদ্ধের আগের দিন সন্ধ্যা। হযরত আবদুল্লাহ ইবন জাহাশ গিয়ে সা’দ ইবন রাবীকে বললেন,“চল আমরা একত্রে দোয়া করি। আমি দোয়া করব, তুমি ‘আমীন’ বলবে। আবার তুমি দোয়া করবে, আমি ‘আমীন’ বলব।” প্রথমেই প্রার্থনা করলেন হযরত সা’দ। তিনি দুটি হাত উর্ধে তুলে বললেন,“হে আল্লাহ, আগামী কালের যুদ্ধে এক ভীষণ যোদ্ধা আমাকে জুটিয়ে দিন, তাকে যেন … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!