হযরত আলী রাঃ এর ইসলাম গ্রহণ

হযরত আলী (রাঃ)-এর বয়স যখন দশ বছর তখন তাঁর স্নেহশীল অভিভাবক আল্লাহর দরবার থেকে নবুওয়তের দায়িত্ব লাভ করেন। হযরত আলী (রাঃ) তাঁর সাথে থাকার ফলে ইসলামের চেহারা সর্বপ্রথম তাঁর চোখে সুস্পষ্ট হলো। একদিন তিনি রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত খাদিজা (রাঃ)-কে ইবাদতে লিপ্ত দেখে এ দৃশ্য তাঁকে মুগ্ধ করে। বালকসুলভ বিষ্ময় সহকারে … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আলী (রাঃ) এর জন্ম, বংশ ও শৈশবকাল – শেষ পর্ব

একদিন মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, যে মহান আল্লাহ এ ত্রিভুবন সৃষ্টি করেছেন এবং লালন-পালন করছেন, আমরা সে আল্লাহর নিকট কৃতজ্ঞতয়া প্রকাশ করলাম। আচ্ছা আলী, তুমি কি আমাকে একান্তভাবে বিশ্বাস কর? হযরত আলী (রাঃ) বললেন, হযরত! আমি আপনাকে অন্তরের সঙ্গে সব সময় বিশ্বাস করি এবং আজীবন বিশ্বাস করবো। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) খুশি হয়ে সে … বিস্তারিত পড়ুন

হজ্জের মৌসুমে আরব গোত্রসমূহকে দাওয়াত প্রদান

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে কা’ব ইবনে মালেক (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবুওয়াত প্রাপ্তির পর তিন বৎসর পর্যন্ত গোপনে দাওয়াত প্রদান করিয়াছেন। চতুর্থ বছর প্রাকাশ্যে দাওয়াত দিতে আরম্ভ করেন। দশ বছরকাল তিনি এই প্রকাশ্যে দাওয়াতের কাজ করিতে রহিলেন। হজ্জের মৌসুমে, উকায, মাজান্নাহ ও যিলমায নামক বাজারসমূহে লোকদের অবস্থানস্থলে গমন করিতেন এবং তাহাদিগকে আহবান করিতে যেন, … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আমর ইবনে জামূহ (রাঃ) এর ঘটনা

বনু সালামার কতিপয় বুযুর্গ ব্যক্তি বলেন, হযরত আমর ইবনে জামূহ (রাঃ) অনেক বেশী খোঁড়া ছিলেন। সিংহের ন্যায় তাহার চার পুত্র রাসূল (সাঃ)-এর সহিত সকল যুদ্ধে শরীক হইত। ওহুদের যুদ্ধের সময় পুত্রগণ পিতাকে যুদ্ধে অংশগ্রহণ হইতে বিরত রাখিতে চাহিল এবং তাহারা বলিল, আল্লাহ তায়ালা তো আপনাকে অক্ষম করিয়াছেন। তিনি রাসূল (সাঃ)-এর খেদমতে উপস্থিত হইয়া আরজ করিলেন, … বিস্তারিত পড়ুন

আল্লাহর প্রতি দাওয়াতের পথে যখম ও রোগ–ব্যধি সহ্য করা

হযরত আবু সায়েব (রাঃ) বলেন, বনু আবদুল আশহাল গোত্রের এক ব্যক্তি বলিয়াছেন, আমি এবং আমার ভাই ওহুদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করিয়াছিলাম। আমরা উভয়ে যুদ্ধ হইতে আহত অবস্থায় ফিরিয়া আসিবার পর নবী কারীম (সাঃ)-এর ঘোষণাকারী যখন দুশমনের পিছনে ধাওয়া করিতে যাওয়ার ঘোষণা দিল তখন আমি আমার ভাইকে বলিলাম, অথবা আমার ভাই আমাকে বলিল, আমরা কি রাসূল (সাঃ)-এর … বিস্তারিত পড়ুন

নবী করীম (সাঃ) এর ক্ষুধার কষ্ট সহ্য করা – শেষ পর্ব

নবী করীম (সাঃ) এর ক্ষুধার কষ্ট সহ্য করা – দ্বিতীয় পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন অপর এক রেওয়াতে আছে যে, তিনি কখনও ভুনা বকরী চোখে দেখেন নাই। (তারগীব) হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁহার পরিবারবর্গের লোকেরা একাধারে করেক রাত্রি অনাহারে কাটাইয়া দিতেন। রাতের খাবার জুটিত না। আর তাহাদের রুটিও অধিকাংশ … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আসমা বিনতে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) এর ক্ষুধার কষ্ট সহ্য করা

হযরত আসমা বিনতে আবু বকর (রাঃ) বলেন, রাসূল (সাঃ) হযরত আবু সালামা (রাঃ) ও হযরত যুবাইর (রাঃ)কে বনু নযীরের এলাকায় এক টুকরো জমি জায়গীর হিসাবে দান করিয়াছিলেন। একবার আমি সেই জমিতে গিয়াছিলাম। আমার স্বামী হযরত যুবাইর (রাঃ) রাসূল (সাঃ)-এর সহিত সফরে গিয়াছিলেন। এক ইহুদী আমাদের প্রতিবেশী ছিল। সে একটি বকরি জবাই করিল। গোশত রান্না হইলে … বিস্তারিত পড়ুন

তেহামার যুদ্ধে সাহাবা (রাঃ) দের ক্ষুধার কষ্ট সহ্য করা

হযরত আবু খুনাইস (রাঃ) তেহামার যুদ্ধে রাসূল (সাঃ)-এর সহিত ছিলেন। তিনি বলেন, যখন আমরা উসফান নামক স্থানে পৌঁছিলাম তখন সাহাবা (রাঃ) রাসূল (সাঃ)-এর খেদমতে হাজির হইয়া আরজ করিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ক্ষুধা আমাদিগকে দুর্বল করিয়া দিয়াছে, সওয়ারীর জানোয়ার জবাই করিয়া খাওয়ার জন্য আমাদিগকে অনুমতি প্রদান করুন। তিনি বলিলেন, আচ্ছা, ঠিক আছে। হযরত ওমর (রাঃ) এই খবর … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ইকরামা (রাঃ) ইবনে আবি জাহলের ইসলাম গ্রহণ – পর্ব ৩

হযরত ইকরামা (রাঃ) ইবনে আবি জাহলের ইসলাম গ্রহণ – পর্ব ২ পড়তে এখানে ক্লিক করুন সুতরাং রাসূল (সাঃ) তাহার জন্য এই দোয়া করিলেন, আয় আল্লাহ! সে (অর্থাৎ ইকরামা) আমার সহিত যত শত্রুতা করিয়াছি বা সে আপনার নূরকে নিভাইবার উদ্দেশ্যে যে কোন সফর করিয়াছি তাহা মাফ করিয়া দিন এবং আমার সাক্ষাতে অসাক্ষাতে আমাকে যে কোন প্রকার … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ইকরামা (রাঃ) ইবনে আবি জাহলের ইসলাম গ্রহণ – পর্ব ১

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর (রাঃ) বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন ইকরামা ইবনে আবি জাহলের স্ত্রী হযরত উম্মে হাকীম বিনতে হারেস ইবনে হিশাম ইসলাম গ্রহণ করিবার পর বলিলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! ইকরামা আপনার নিকট হইতে ইয়ামানের দিকে পালাইয়া গিয়াছে। সে আশঙ্কা করিতেছিল যে, আপনি তাহাকে কতল করিয়া দিবেন। অতএব তাহাকে নিরাপত্তা দান করুন। রাসূল (সাঃ) বলিলেন, সে নিরাপদ। … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!