সামঝোতা

গোপাল ভাঁড়ের ভাইপো আর তার স্ত্রীর মধ্যে ভীষণ ঝগড়া বেধেছে। মধ্যস্থতা করতে এগিয়ে গেলেন গোপাল। বললেন, বলি কী নিয়ে এত ঝগড়া হচ্ছে শুনি? গোপালের ভাইপো বলল, দেখুন তো কাকা, আমি আগামী বছর একটা দুধেল গাই কিনব বলেছি। আর আমার স্ত্রী বলছে, সে নাকি গাইয়ের দুধ দিয়ে পায়েস রাঁধবে। ভাইপোর স্ত্রীও সমান তেজে চেঁচিয়ে উঠল। দু … বিস্তারিত পড়ুন

গাধা

একদিন সকালে রাজা কৃ্ষ্ণচন্দ্র মজুমদার প্রাতঃ ভ্রমনে বের হলেন গোপাল ভাড়কে নিয়ে।গোপাল তামাক খাচ্ছিলো দেখে রাজা খুবই বিরক্ত হলেন।পথে দেখলেন,তামাক বাগানে একটা গাধা আগাছা খাচ্ছে,কিন্তু তামাক পাতায় মুখ দিচ্ছেনা।রাজা গোপালকে বললেন,”দেখেছো হে গোপাল,গাধা ঘাস খায় ঠিকই,কিন্তু তামাক মুখেও নেয়না।” হেসে গোপাল বলে,”রাজামশাই ঠিকই বলেছেন।কেবল গাধারাই তামাক খায়না” –সংগৃহীত

বিশ্বাস

গোপাল যাচ্ছে শ্বশুরবাড়ি। মাথার ওপর গনগনে সূর্য। গরমে অতিষ্ঠ হয়ে গোপাল এক গাছের নিচে বিশ্রাম নিতে বসল। বেশি গরম লাগায় ফতুয়াটা খুলে পাশে রেখে একটু আয়েশ করে বসল। বসে বিশ্রাম নিতে নিতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়ল, নিজেই জানে না। ঘুম যখন ভাঙল গোপাল দেখে, তার ফতুয়াটা চুরি হয়ে গেছে। হায় হায়! এখন কী হবে! খালি … বিস্তারিত পড়ুন

চিঠি লেখা এবং পায়ে ব্যথা-গোপাল ভাঁড়

একদিন এক প্রতিবেশী গোপাল ভাঁড়ের কাছে এসে : ‘আমাকে একটা চিঠি লিখে দাও।’ ‘আমি চিঠি লিখতে পারবো না, আমার পায়ে ব্যথা।’ প্রতিবেশী আশ্চর্য হয়ে বললো, ‘চিঠি তো লিখবে হাত দিয়ে, পায়ে ব্যথা তাতে কী হয়েছে?’ ‘কারণ আমি অতোদূর হেঁটে যেতে পারবো না।’ ‘অতোদূর হাঁটতে পারবে না মানে?’ ‘মানে আমার লেখা চিঠি আমি ছাড়া আর কেউ … বিস্তারিত পড়ুন

জ্যোর্তিষি গোপাল !

নবাবদের খেয়ালের অন্ত নেই। একবার নবাবের খেয়াল হলো- মাটির নীচে কি আছে তা জ্যোতিষী পণ্ডিত দ্বারা গণনা করিয়ে নিতে হবে। আর গণনা সত্য কি মিথ্যা তা তো সঙ্গে সঙ্গে কিছু মাটি খুঁড়েই বোঝা যাবে। মাটির নীচে কি আছে সঠিকভাবে বলে দিতে পারলে- নবাব প্রত্যেক পণ্ডিতকে এক হাজার আশরফি করে পুরস্কার দেবেন। না বলতে পারলে আজীবন … বিস্তারিত পড়ুন

মাতৃভাষা-গোপাল ভাঁড়

মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভায় একজন লোক মাঝে মাঝেই আসত। সে লোকটা নানা ভাষায় কথা বলত। কি যে তার আসল মাতৃভাষা, কোথায় তার আসল দেশ কেউ জানতো না। সবগুলো ভাষাতেই সে সমান দক্ষ। প্রায় সবগুলো ভাষাতেই সে লিখতে পড়তে পারত। যেমন বাংলা বলত, তেমনি হিন্দী বলত, আবার ফার্সীও বলত। মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র একদিন গোপালকে বল্লেন, ‘গোপাল, লোকটা কি … বিস্তারিত পড়ুন

জামাইয়ের চরিত্র

গোপাল নন্দীগ্রামে যাবে শুনে গোপালের প্রতিবেশী এক গোঁড়া বৈষ্ণব এসে গোপালকে বলল, “নন্দীগ্রামের পরম বৈষ্ণব ত্রিলোচনের ছেলে বটুকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছি। তুমি যখন নন্দীগ্রামে যাচ্ছ-তখন আমার জামাইয়ের একটু খোঁজ নিও। নিন্দুকেরা নানা কথা বলে কিন্তু আমার জামাইকে তোমার খুবই ভাল লাগবে। গোঁড়া বৈষ্ণব বংশের ছেলে, ভালো না হয়ে যায় কোথায়? অনেক বেছে বেছেই তো … বিস্তারিত পড়ুন

ভগবানের বিশ্বাস

গোপাল যাচ্ছে শ্বশুরবাড়ি। মাথার ওপর গনগনে সূর্য। গরমে অতিষ্ঠ হয়ে গোপাল এক গাছের নিচে বিশ্রাম নিতে বসল। বেশি গরম লাগায় ফতুয়াটা খুলে পাশে রেখে একটু আয়েশ করে বসল। বসে বিশ্রাম নিতে নিতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়ল, নিজেই জানে না। ঘুম যখন ভাঙল গোপাল দেখে, তার ফতুয়াটা চুরি হয়ে গেছে। হায় হায়! এখন কী হবে! খালি … বিস্তারিত পড়ুন

লেবু চোর

পাড়া-পড়শী অনেকের বাড়িতেই মেয়ে-জামাই বেড়াতে এসেছে দেখে, গোপালের স্ত্রী একদিন গোপালকে বলল- তুমি কি গা! জামাই আনার নাম পর্যন্ত কর না। দু’বছর হয়ে গেল, একবারটি জামাইকে আনলে না? স্ত্রীর কথা শুনে গোপাল বলল- জামাই আনা কি চাট্টিখানি কথা! কত খরচ বলতো? গোপালের কথা শুনে গোপালের স্ত্রী বলল- তুমি দেখছি হাড় কেপ্পন হয়ে গেলে গো। রাজবাড়ি … বিস্তারিত পড়ুন

কে অপয়া ?

শিকারে বেরিয়েছেন রাজা। যাত্রাপথে প্রথমেই পড়ে গেলেন নাসিরুদ্দীন হোজ্জার সামনে। রাজা ক্ষেপে গেলেন। পাইক-পেয়াদারের ডেকে বললেন, ‘হোজ্জা একটা অপয়া। যাত্রাপথে ওকে দেখলাম, আজ নির্ঘাত আমার শিকার পণ্ড। ওকে চাবুক মেরে দূর করে দাও।’ রাজার হুকুম তামিল হলো। কিন্তু সেদিন রাজার শিকারও জমে উঠলো বেশ। গুণে গুণে ছাবি্বশটা নাদুসনুদুস হরিণ মারলেন তিনি। প্রাসাদে ফিরে রাজা অনুতপ্ত … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!