ঢিবি থেকে

খুব সরূ একটা পথ দিয়ে হারকিউলিস যাচ্ছিলেন । পথে যেতে যেতে দেখলেন, পথের একধারে মাটিতে কি যেন একটা পড়ে রয়েছে । দেখতে অনেকটা আপেলের মতো । কি খেয়াল হতেই হারকিউলিস পা দিয়ে সেটা চেপে দিলেন । আর কি আর্শ্চয ! সঙ্গে সঙ্গে সেই বস্তুটা দ্বিুগুন বড় হয়ে গেল । তাই দেখে হারকিউলিস খুব রেগে গেলেন … বিস্তারিত পড়ুন

এক চাষী ও তার ছেলেরা

এক গ্রামে এক চাষী ছিল । তার ছেলেগুলো ছিল ভীষণ কুঁড়ে । মরবার আগে চাষী ছেলেদের কাছে ডেকে বলল-শোনো পুত্ররা, আমার সময় হয়েছে আমাকে যেতে হচ্ছে । এ পৃথিবী ছেড়ে যাবার আগে কয়েকটি কথা তোমাদের বলতে চাই । ভালো করে মন দিয়ে শোনো । তোমাদের আমি যা দিয়ে যেতে চাই, তা ঐ যে আঙুরের ক্ষেত … বিস্তারিত পড়ুন

নিজে নিজেই চেষ্টা করতে হয়

এথেন্সের এক ধনী ব্যক্তি একবার বাণিজ্য করতে সমুদ্রযাত্রা করলেন । সঙ্গে তার অনেক লোক লস্কর ছিল । কিছুদূর যাবার পর সমুদ্রে ভয়ংকর ঝড় উঠল । আর সেই ঝড়ে জাহাজ ডুবে গেল । জাহাজডুবির পর লোকেরা সাঁতরে তীরে ওঠবার চেষ্টা করতে লাগল । কিন্তু ধনী লোকটি তা না করে নিজের প্রাণ রক্ষার জন্যে দেবী এ্যাথেনার কাছে … বিস্তারিত পড়ুন

টর পাওয়া

গোপালের একবার পায়ে ফোড়া হয়েছিল। সেজন্য গোপাল খুড়িয়ে খুড়িয়ে রাজসভায় ঢুকতেই মহারাজ বললেন, ‘গোপাল, কখন যে তুমি পরের বাগানে ঢুকে চুরি করতে গিয়ে ঠ্যাঙ ভাঙলে, আমি মোটেই টের পেলুম না।’ গোপাল মুচকি হেসে বললেন, ‘হুজুর, আপনিও আমার সঙ্গে সেই পেয়ারা বাগানে ঢুকেছিলেন। কিন্তু আপনি গাছে ওঠেননি বলে মোটেই টের পাননি। আপনি তখন তলায় পেয়ারা গুণছিলেন। … বিস্তারিত পড়ুন

টাকা দেবে গৌরীসেন

গোপাল এক মুদি দোকান থেকে ধারে প্রায়ই মাল নিত, কিন্তু টাকা শোধ করতে চাইত না। লোকটি খুব সরল প্রকৃতির ছিল। গোপাল রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পেয়ারের লোক বলে দোকানিও টাকা চাইতে সাহস পেত না যদি রাজা রাগ করেন তাহলে গেছি। একদিন দোকানির ভীষণ টাকার দরকার, বাড়িতে অসুখ। গোপাল মাল নিতে এলে দোকানি বললেন, ‘ধারে তো রোজই মাল … বিস্তারিত পড়ুন

ভাগ্যিস আগড়টা ছিল

গোপাল একদিন তার বন্ধুর হোটেলে বসেছিল । এই সময় সেই হোটেল তিনজন ভদ্রলোক এসে উপস্থিত। হোটেল ওয়ালা প্রত্যেকের বাসস্থান জিজ্ঞাসা করলেন । প্রথম ভদ্রলোক বললেন, ‘এড়েদা।’ দ্বিতীয় বললেন, ‘আগড়পাড়া’। তৃতীয় বললেন,‘খড়দা’। হোটেল ওয়লা শুনেই অবাক। গোপাল বলে উঠল, ভাগ্যিস মাঝখানে আগড়টা ছিল, তা নইলে এড়ে এসে, খড় খেয়ে যেত নিশ্চয়ই।’ সকলে যে যার মুখ চাওয়া … বিস্তারিত পড়ুন

লক্ষ টাকা রোজগার

গোপালের বন্ধু গোপালকে জিজ্ঞাসা করে, ‘পশার কি রকম হলো হে? রাজবাড়িতে বেশ কয়েকমাস যাচ্ছ। রোজগার পাতি ভাল হচ্ছে তো?’ গোপাল বলল, ‘আশ্চর্য রকম। ছ’মাসে লক্ষ টাকা রোজগার করেছি।’ বন্ধু হকচকিয়ে গেল একেবারে। ‘বলি, বল কি হে? এ যে আশাতীত। লক্ষ টাকা ভাবার বিষয় বটে।’ গোপাল বলল, ‘আশাটা অন্যরকম ছিল, স্বীকার করছি। লক্ষ টাকা ব্যাপারটা কি … বিস্তারিত পড়ুন

মিছে কথা বাড়ানো

একদিন রাজবাড়ির লোক গোপালকে চুরির দায়ে ফেলার জন্য জোর চেষ্টা করেছিল এবং গোপালকে ধরে এসে, হাকিমের সুমুখে খাড়া করে দিল। হাকিম জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি চুরি করেছ?’ গোপাল বললেন, ‘কেন মিছে কথা বাড়ান। করেছি কিনা সেইটিই তো বিচার করে প্রমাণ করবার ভার আপনার ওপেরে।’

শট কাটে ধনী

গোপালের বুদ্ধি প্রখর। একবাক্যে সকলে তা স্বীকার করত। তারজন্য গোপালের সঙ্গে নানান ধরনের লোক প্রায়ই দেখা করতে আসত। একবার এক ভদ্রলোক এসে গোপালকে জিজ্ঞেস করল গোপাল, ‘তোমার তো এত বুদ্ধি। তোমার বুদ্ধির জোরে আমাকে বিনা পুজিতে ধনী হবার একটা সহজ উপায় বাৎলে দিতে পার?’ গোপাল হোসে বললেন, ‘ধনী হবার সহজ উপায় বাতলে দিতে পারি, ফি … বিস্তারিত পড়ুন

ভেট নাই তাই ভিড়

একবার গোপাল আহ্লাদপুরে বেড়াতে এসেছিল। নতুন জায়গায় ঘুরতে ঘুরতে এক অজানা দেবস্থানে উপস্থিত। সেদিন ছিল উৎসব তিথি। সামনে বিরাট আটচালা সাজানো। মধুর বাজনা বাজছে, গানও শোনা যাচ্ছে। পেছনে মন্দির দেখা যাচ্ছে না সামনে থেকে। ভদ্রমহিলা ও ভদ্রলোকেরা প্রবেশ করছেন ভিড় করে দলে দলে। রাস্তায় দাড়িয়ে গোপাল তাকিয়ে আছে সেইদিকে। তার বড় ইচ্ছে, সেও একবার ভিতরে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!