কাণ্ড কারখানা —মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

মস্ত এক কারখানা ছিল। সেখানে একদিন এক কাণ্ড হল।একে বারে জাকে বলা যায় কাণ্ড কারখানা।কারখানার ম্যানেজার যে ঘরে বসে,তার দক্ষিনে একটুকরো ফাঁকা জমি আছে।জমিটি কোন কাজে লাগে না।কাজে লাগানো হয়নি।দরকার হয় না।তাছাড়া সাহেব একটু আলো বাতাসও পাবে। দু,চারটে ফুলগাছ লাগাবার ইচ্ছা ছিল।লাগানোও হয়েছিল।কিন্তু সাহেবের এদিকের কোন শখ নেই।তাই ছোট ছোট কয়েকটি বিলেতি ফুলের চারা ছিল … বিস্তারিত পড়ুন

জব্দ হলো নাপিত

বাগদাতের খলিফা ছিলেন তখন হারুনুর রশীদ। ন্যায্য দাবি বিবেচক ইনছাপগার বলে তার সারা বাগদাতে খ্যাতি ছিল।একবার এক কাঠুরে গাধার পিঠে কাঠের বোঝা চাপিয়ে শহরে যাচ্ছিল। সে গুলো বিক্রি করার পথে একটা নাপিত তাকে ডাকল। বাড়ির রান্নার কাজের জন্য তার একটা নাকড়ির দরকার ছিল। কাঠুরের সাথে তার দামদস্তর হলো। কাঠুরে গাধার পিট থেকে কাঠ নামিয়ে নাপিতের … বিস্তারিত পড়ুন

চোর ধরা

এক কৃষকের বাড়িতে এক মুসাফির এসে আশ্রয় নিল।অন্ধকারে মুসাফিরকে কেউ ভাল করে চিনতে পারি নি।মুসাফির যে ঘরে ঘুমাচ্ছিল,সে ঘরের সিদ কেটে এক কৃষকের জিনিস নিতে চাইলো।মুসাফির চোর কে বাঁধাদিল।তাদের ধস্তাধস্তিতে বাড়ির সবাই ছুটে এলো।চোরটি বলতে লাগল,এই লোকটি বাড়ির জিনিসপত্র নিতে চাইলে আমি বাধা দিয়েছি।মুসাফির বলল,না সে চোর।এসব জিনিস চুরি করতে এসেছিল। এভাবে এক জন অন্য … বিস্তারিত পড়ুন

হাবলু

হাবলু গ্রামে থাকে। গ্রামের লোকেরা তাকে বোকা বলে জানে। বিয়ে হয়েছে কয়েক যুগ আগে। মজার ব্যাপার হল, বিয়ের দিনেই শুধু শ্বশুর বাড়ি জাওয়া হয়েছিল। একদিন হঠাৎ বাবলুর ঘাড়ে শ্বশুর বাড়ি যাবার ভুত চাপলো। সে ভাবল, হঠাৎ যদি মরে যাই তাহলে আর কোন দিন শ্বশুর বাড়ি জাওয়া হবে না। হাবলু শ্বশুর বাড়ির পথও চিনে না। তাই … বিস্তারিত পড়ুন

পিঁপড়ে আর হাতি আর বামুনের চাকর

এক পিঁপড়ে ছিল আর তার পিঁপড়ী ছিল, আর তাদের দুজনের মধ্যে ভারি ভাব ছিল। একদিন পিঁপড়ী বললে, ‘দেখ পিঁপড়ে, আমি যদি তোমার আগে মরি, তবে কিন্তু তুমি আমাকে গঙ্গায় নিয়ে ফেলবে। কেমন পিঁপড়ে, ফেলবে তো?’ পিঁপড়ে বললে, ‘হ্যাঁ পিঁপড়ী, অবশ্যই ফেলব। আর আমি যদি তোমার আগে মরি, তবে কিন্ত তুমি আমাকে গঙ্গায় নিয়ে ফেলবে। কেমন … বিস্তারিত পড়ুন

মজন্তালী সরকার

এক গ্রামে দুটো বিড়াল ছিল। তার একটা থাকত গোয়ালাদের বাড়িতে, সে খেত দই, দুধ, ছানা, মাখন আর সর। আর একটা থাকত জেলেদের বাড়িতে, সে খেত খালি ঠেঙ্গার বাড়ি আর লাথি। গোয়ালাদের বিড়ালটা খুব মোটা ছিল, আর সে বুক ফুলিয়ে চলত। জেলেদের বিড়ালটার গায় খালি চামড়া আর হাড় কখানি ছিল। সে চলতে গেলে টলত আর ভাবত, … বিস্তারিত পড়ুন

বাঘখেকো শিয়ালের ছানা

এক শিয়াল আর এক শিয়ালিনী ছিল। তাদের তিনটি ছানা ছিল, কিন্ত থাকবার জায়গা ছিল না। তারা ভাবলে, ‘ছানাগুলোকে এখন কোথায় রাখি? একটা গর্ত না হলে তো এরা বৃষ্টিতে ভিজে মারা যাবে।’ তখন তারা অনেক খুঁজে একটা গর্ত বার করলে, কিন্ত গর্তের চারধারে দেখলে, খালি বাঘের পায়ের দাগ! তা দেখে শিয়ালিনী বললে, ‘ওগো এটা যে বাঘের … বিস্তারিত পড়ুন

তাবিজ মহিমা-শ্রীক্ষিতীন্দ্র নারায়ন ভট্টাচার্য-২য় পর্ব

পরল দেহি আতটা”-বলে সোমেশের হাতটা টানিয়া লইলেন।হঃমঙ্গল বৃস্পতিবার-হঃঠিক আছে।উদ্দু রাহাটা দেহি?এ এই খানে একটু-তাবিজ দিয়া দিমু এখন।আপনেরটা দেখি বাবু মশাই। সিদ্ধেশ্বরের কররেখারও একই রকম ফল দেখা গেল।জ্যোতিষী মাহাশয় একটা কাঠের আলমারি হইতে দুটি তাবিজ বাহির করিলেন এবং সে দুইটি কপালে ঠেকাইয়া বিড় বিড় করিয়া মন্ত্র পড়িতে পড়িতে দুজনের কনুই এর উপরে বাঁধিয়া দিলেন।তারপর কহিলেন,যে দিন … বিস্তারিত পড়ুন

সাক্ষী শিয়াল–উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

একজন সওদাগর একটি ঘোড়া নিয়ে বেড়াতে যাচ্ছিল। যেতে যেতে তার বড্ড ঘুম পেল। তখন সে ঘোড়াটিকে এক গাছে বেঁধে, সে গাছের তলায় ঘুমিয়ে রইল। এমন সময় এক চোর এসে সওদাগরের ঘোড়াটিকে নিয়ে চলে যাচ্ছে। সওদাগর ঘোড়ার পায়ের শব্দে জেগে উঠে বললে, ‘কি ভাই, তুমি আমার ঘোড়াটিকে নিয়ে কোথায় যাচ্ছ?’ চোর তাতে ভারী রাগ করে বললে, … বিস্তারিত পড়ুন

ফিঙে আর কুঁকড়ো–উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

একটা দানব ছিল, তার নাম ছিল ফিঙে। সে দেড়াশো হাত লম্বা শালগাছের ছড়ি হাতে নিযে বেড়াত। আর একটা দানব ছিল, তার নাম কুঁকড়ো। সে ঘুঁষো মেরে লোহার মুগুর থেঁতলা করে দিত। আর যত দানব ছিল, তাদের সকলকেই কুঁকড়ো ঠেঙিয়ে ঠিক করে দিয়েছে, এখন সে ফিঙের সন্ধানে দেশে বিদেশে ঘুরে বেড়ায়। এ কথা শুনে অবধি ফিঙের … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!