ছোট মামার ভূতবাড়ি– ১ম পর্ব-মালেক মাহমুদ

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। জোছনা রাতে, সাদা পোশাকে বসে আছেন দাদা। চারপাশে গোল করে বসে আছে, দুই নাতি, তিন নাতিন, এক কাজের মেয়ে। সবাই আব্দার করল দাদার কাছে— ভূতের গল্প বলতে হবে। দাদাও রাজী হয়ে গেলেন ভূতের গল্প বলতে। মজা করে বলতে লাগলেন গল্প—। —তোমরা কি কেউ জানো, মামার ভূতবাড়ি কোথায়? সবাই … বিস্তারিত পড়ুন

ছোট মামার ভূতবাড়ি–শেষ পর্ব-মালেক মাহমুদ

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। অদ্ভুত লোকটি বললেন, আপনি তো সিগারেট খান না, তবে কেন কিনলেন? সিপন মনে মনে বললেন, আমি যে সিগারেট খাই না, তা লোকটি কীভাবে জানল! সন্দেহ আরও বেড়ে গেল। তবুও যেতে হবে নিমপুর, সন্দেহ করে কী লাভ। দু’জন উঠল, গাড়ি চলতে লাগল রঘুনাথপুর।… দাদার কথার মধ্যে ছেদ টেনে ছোট … বিস্তারিত পড়ুন

ভূতের ডিগবাজি–১ম পর্ব- মাহমুদ মেনন

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন । মায়ের মুখে রাতে ভূতের গল্প শোনার ইচ্ছা ছিলো না রুশোর। কিন্তু মা যখন বললো এটি মামদো ভূতের ছানার গল্প তখন লোভ সামলাতে পারলো না। মাতো জানতোই, ভূতের গল্প শুনলে ভয় হয়। তাও যে কেনো বললো! যতই হোক মামদো ভূতের ছানা! ভূততো। ভয়তো লাগেই… কেন যে লোভ করতে … বিস্তারিত পড়ুন

ভূতের ডিগবাজি-শেষ পর্ব- মাহমুদ মেনন

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। রুশো বললো এটা কি হলো? ভূত ছানা বললো, খিঁদে পেঁয়েছে তোঁ তাঁই এঁকটুঁ খেঁয়ে নিলাম। ডিগবাজি খেলে তো ক্ষুধা আরও বাড়ে বোকা.. বললো রুশো। ভূত ছানা বললো না.. না.. ডিঁগবাঁজিও তোঁ এঁক ধঁরনের খাঁওয়া। খিঁদে পেঁলে আঁমি ডিঁগবাজি খাঁই। আবার হেসে ফেললো রুশো। আর হঠাৎ করেই টের পেলো … বিস্তারিত পড়ুন

আমি এবং মামা

ঘটনাটি ৩-৪ বছর আগে আমার মামার সাথে ঘটছিলো।ঘটনাটি মামার ভাষাতেই   দিলাম।তখন রাত ১টা বাজে।দোকান বন্ধ করব।হঠাৎ মোবাইলে একটা কল এল।দেখি বন্ধু শাহীন ফোন করেছে। ভাবলাম,এত রাতে ওর ফোন ,কাহিনী কি?ফোন ধরলাম।ধরেই একটা দুঃসংবাদ শুনতে হল।ওর চাচা কিছুক্ষন আগে মারা গেছেন।কাল সকালে তার জানাজা হবে।এখন মসজিদে মসজিদে গিয়ে হুজুরদের বলতে হবে তারা যেন ফজরের ওয়াক্তে মাইকিং করে দেন।আমি ওর সাথে যেতে পারব কিনা … বিস্তারিত পড়ুন

অভিশপ্ত গ্রাম

স্পেনের ভেলেন্সিয়ার একটি অঙ্গ রাষ্ট্র হলো এলচি। এখানে একটি পুরনো স্প্যানিশ গির্জা আছে। গির্জার পাশেই একটি পুরনো ক্রিস্টিয়ানদের কবরস্থান। শহরটিতে বর্তমানেমোট জনসংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজারের মতো। শোনা যায় ১৫ শতকে এক মহামারীতে এই শহরের প্রায় সকল মানুষ মারা যায়। বিংশ শতাব্দীতে এসে সবার ধারণা ছিলো হয়তো কোনো মহামারি রোগ এর কারণে এমনটা ঘটে থাকতে পারে। কিন্তু মানুষের সেই ভুল … বিস্তারিত পড়ুন

রহিম এবং ভুত

বিশাল বন। বনের শেষে গ্রাম। গ্রামের নাম চন্দনপাড়া। গ্রামে থাকত এক কৃষকে। কৃষকের নাম রহিম। প্রতিদিন সন্ধ্যায় রহিম তার বন্ধুদের সঙ্গে বাড়ি ফেরে। কিন্তু একদিন কাজ বেশি থাকার কারণে রহিম তার বন্ধুদের সঙ্গে ফিরল না। সে দেরি করে ফিরবে বলে বন্ধুদের বিদায় করে দিল। অনেক রাত হয়ে গেছে। কিন্তু কৃষক এখনও বাড়ি ফেরেনি। কিষাণী চিন্তা … বিস্তারিত পড়ুন

অভিশপ্ত ক্লিনিকে

আমাদের গ্রামে একটা সরকারী ক্লিনিক আছে, ১৯৯৮ইং সালের দিকে এটা নির্মাণ করা হয়। এই ক্লিনিক টাকে ঘিরে অনেক অলৌকিক ঘটনা আছে। আসলে ক্লিনিক টা যেখানে নির্মাণ করা হয়েছে সেই জায়গাটা ভালো ছিল না। একটা সময় সেখানে রাতে তো দূরের কথা এমনকি দিনের বেলায়ও মানুষ-জন যেতে ভয় পেতো। কারণ সেখানে অনেক ভয়ংকর ঘটনা ঘটতো। আজ আমি … বিস্তারিত পড়ুন

সিডনী থেকে–১ম পর্ব- এম, এ, জলিল

গল্পের ২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন পিলে চম্কানো ভূতের ঘটনাটি যে গ্রামে ঘটেছিল সেই গ্রামের নাম আলগীচর (আমার নিজের গ্রাম)। ভৌতিক ঘটনাটি তুলে ধরার পূর্বে এই গ্রামের কিছু তথ্য পাঠকের জন্য তুলে ধরছি। ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার ইছামতি নদীর তীরে অবস্থিত আলগীচর গ্রাম। কোথাও কোন চরের নিদর্শন বা অস্তিত না পাওয়া য়ায় এই গ্রামের … বিস্তারিত পড়ুন

সিডনী থেকে–২য় পর্ব- এম, এ, জলিল

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। যেই জায়গায় ওরা বসলো তার ১৫০/২০০ গজ দক্ষিনে কবরস্থান। পূর্বে হিন্দু গ্রাম শুভরিয়া, পশ্চিমে আনুমানিক ৫০/৬০ গজ দূরত্বে বিরান ভিটা, অসংখ্য গাছ-গাছরা আর জঙ্গলে পরিপূর্ণ যা লেংরির ভিটা নামে গ্রামে পরিচিত। সবার ধারণা এখানে ভূতের বসবাস। সন্ধ্যাতো দুরের কথা দুপুরেও এই পথে কেউ পা বাড়ায় না। ওদের বসার … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!