রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কর্তৃক এক ছাহাবীর ঝুলে পড়া চক্ষু যথাস্থানে সংযোজন

বাইহাকী ও ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেন, ওহোদের যুদ্ধে তীরের আঘাতে হযরত কাদাতা ইবনে নোমান (রাঃ) এর চোখ কটর হতে বের হয়ে গন্ডদেশে ঝুলে গেল। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) হযরত কাদাতা (রাঃ) কে বললেন, তুমি যদি এটা কামনা কর যে, তোমার চক্ষু ভাল হয়ে যাক, তবে আমি তা যথাস্থানে করে দেব এবং তা ভাল হয়ে যাবে। আর জান্নাত লাভের আশা পোষন করলে ধৈর্য ধারণ কর। হযরত কাতাদা (রাঃ) আজর করলেন, হে আল্লাহর নবী! নিশ্চয় জান্নাত বড় পুরষ্কার কিন্তু অন্ধ হয়ে থাকা আমার নিকট ভাল লাগছে না। কাজেই আমার চক্ষু ভাল করে দিন এবং আমার জান্নাত প্রাপ্তির জন্য দোয়া করুন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তার চুক্ষু যথাস্থানে স্থাপন করে দিলে তা ভাল হয়ে গেল। উপরক্তু অপর চক্ষুটির তুলনায় তার জ্যোতি আর বেড়ে গেল। তিনি তার জন্য জান্নাত প্রাপ্তিরও দোয়া করলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর এ মু’যিযাটি এত প্রসদ্ধি ছিল যে, হযরত কাতাদা বিন নুমানের পরবর্তী বংশধর এ বলে গর্ব করত যে, আমাদের পূর্ববর্তী বুযুর্গ হযরত হযরত কাতাদার চক্ষু রাসূলুল্লাহ (সাঃ)  এর হাতে ভাল হয়েছিল। হযরত কাতাদা (রাঃ) এর গৌত্র আসিম হযরত ওমর ইবনে আব্দুল আজীজের শাসন আমলে তার সাথে সাক্ষাৎ এর সময় একটি কবিতা পাঠ করেন, তার ভাবার্থ নিম্নে প্রদত্ত হলঃ

” আমি ঐ ব্যক্তির দৌহিত্র যার চক্ষু যুদ্ধের সময় আঘাত প্রাপ্ত হয়ে কোটর থেকে বের হয়ে মুখের উপর ঝুলে গিয়েছিল এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ)  এর মোবারক হাতে তা এরুপ ভাল হয়ে ছিল যে, তা পূর্বাপেক্ষা অধিক জ্যোতি লাভ করল। ধন্য সেই চক্ষু আর ধন্য সে মোবারক হাত যা পূর্নবার চক্ষু ফিরিয়ে দিল। 

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কর্তৃক এক ছাহাবীর ঝুলে পড়া চক্ষু যথাস্থানে সংযোজন

বাইহাকী ও ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেন, ওহোদের যুদ্ধে তীরের আঘাতে হযরত কাদাতা ইবনে নোমান (রাঃ) এর চোখ কটর হতে বের হয়ে গন্ডদেশে ঝুলে গেল। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) হযরত কাদাতা (রাঃ) কে বললেন, তুমি যদি এটা কামনা কর যে, তোমার চক্ষু ভাল হয়ে যাক, তবে আমি তা যথাস্থানে করে দেব এবং তা ভাল হয়ে যাবে। আর জান্নাত লাভের আশা পোষন করলে ধৈর্য ধারণ কর। হযরত কাতাদা (রাঃ) আজর করলেন, হে আল্লাহর নবী! নিশ্চয় জান্নাত বড় পুরষ্কার কিন্তু অন্ধ হয়ে থাকা আমার নিকট ভাল লাগছে না। কাজেই আমার চক্ষু ভাল করে দিন এবং আমার জান্নাত প্রাপ্তির জন্য দোয়া করুন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তার চুক্ষু যথাস্থানে স্থাপন করে দিলে তা ভাল হয়ে গেল। উপরক্তু অপর চক্ষুটির তুলনায় তার জ্যোতি আর বেড়ে গেল। তিনি তার জন্য জান্নাত প্রাপ্তিরও দোয়া করলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর এ মু’যিযাটি এত প্রসদ্ধি ছিল যে, হযরত কাতাদা বিন নুমানের পরবর্তী বংশধর এ বলে গর্ব করত যে, আমাদের পূর্ববর্তী বুযুর্গ হযরত হযরত কাতাদার চক্ষু রাসূলুল্লাহ (সাঃ)  এর হাতে ভাল হয়েছিল। হযরত কাতাদা (রাঃ) এর গৌত্র আসিম হযরত ওমর ইবনে আব্দুল আজীজের শাসন আমলে তার সাথে সাক্ষাৎ এর সময় একটি কবিতা পাঠ করেন, তার ভাবার্থ নিম্নে প্রদত্ত হলঃ

” আমি ঐ ব্যক্তির দৌহিত্র যার চক্ষু যুদ্ধের সময় আঘাত প্রাপ্ত হয়ে কোটর থেকে বের হয়ে মুখের উপর ঝুলে গিয়েছিল এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ)  এর মোবারক হাতে তা এরুপ ভাল হয়ে ছিল যে, তা পূর্বাপেক্ষা অধিক জ্যোতি লাভ করল। ধন্য সেই চক্ষু আর ধন্য সে মোবারক হাত যা পূর্নবার চক্ষু ফিরিয়ে দিল। 

আরো পড়তে পারেন...

খৃষ্টান মহিলার প্রেমে পাগল হওয়ার ঘটনা

বুজুর্গ ব্যক্তি বললেন, একদা আমি হযরত হাসান বসরী (রহঃ) এর দরবারে বসেছিলাম। এমন সময় আমাদের…

এক বুজুর্গের কসমের উছিলায়

হযরত আবূ আব্দুল্লাহ কাররাশী (রাঃ) বলেন, একবার মুশরিক সৈন্যরা স্পেন শহরে প্রবেশ করে বিনা যুদ্ধে…

স্বপ্ন যোগে রাসূলের দিদার।

ইমাম কাফেলায় হাবীবের ঈমানী চেতনার প্রকাশ্য শক্তি যেন কয়েকগুণ বাড়াল। ইমাম হোসাইন (রাঃ) গভীর রাতে…