তাবিজ ঁঁ

আমার এ
ঘটনাটি আমার
চাচাত বোন এর কাছ
থেকে শুনেছি । আপুর মামাত
বোনকে তাবিজ
করা হয়েছিল । আপুকে(যাকে তাবিজ
করা হয়েছিল) অনেক
কবিরাজ দেখিয়েছিলেন
কিন্তু
অনাকে কোনো কবিরাজ
ভাল করতে পারল না । তো ঘটনাটি হল
আমার চাচাত বোন মামার
বাড়ি গেলে মামা আপুকে তাদের
বাড়ি থাকতে বলেন ।
পরদিন যাকে তাবিজ
করা হয়েছিল থাকে নিয়ে শাহপরান এর মাজারে যাবেন
এবং সিন্নি দেবেন
মানত করেছিলেন
তো সিন্নি ঘরে তৈরি করে রেখেছিলেন
। ঐ দিন
রাতে রান্না ঘরে সিন্নি রাখা ছিল । ঐ রাতে সিন্নি নষ্ট
করার জন্য তাবিজের
জ্বীন ঘরে এসেছিল
রাত ১২ টা/১ টার
দিকে । ঘরের দরজা জানালা সব
কিছু বন্ধ ছিল । ঘরে ঢোকার পর
মামি ঘরে নড়া-
চড়া করার শব্দ
শুনতে পেলেন মামি মনে করলেন
ঘরে চোর
ঢুকেছে মনে হয় । মামি মামাকে ডাকলেন
মামা উঠলেন
এবং বাতি জ্বলানোর জন্য যেই সুইচ
দিতে যাবেন
মামা দেখতে পেলেন
অনার সামনে ঘরে মাটি থেকে চালা পর্যন্ত
বিশাল একটি দেহ, মামা বুঝতে পারলেন
এটি জ্বীন তাই
মামা জ্বীনটির
চোখে চোখ রাখলেন
এমনকি চোখের পলক পর্যন্ত ফেলেনি । জ্বীনটির চোখে চোখ
রেখে মামা সাহস
করে তাড়াতাড়ি সুইচ
দিলেন, সুইচটি ২
হাত দূরে ছিল মামার
কাছ থেকে এবং জ্বীন থেকে ১/১.৫ হাত দূরে ছিল।
মামা বুঝতে পারলেন
আর
দেরি করলে লাইটের
সুইচ দেতে দেবে না জ্বীনটি।
তাই মামা সাহস করে যেই সুইচ দিলেন
সাথে সাথে জ্বীনটি লাল
চকচকে একটি কুকুর
হয়ে গেল । এবং বাহির হওয়ার
জন্য ঘরের ভিতর
দৌড়াতে থাকে । মামা কুকুরটিকে মেরে ফেলতে চাইলেন
কিন্তু
মামি বাধাঁ দিলেন
পরবর্তিতে ক্ষতি করতে পারে এই
ভেবে ।
মামি মামা কে দরজা খুলে দিতে বলেন। মামা দরজা খুলার পর
কুকুরটা এক দৌড় দেয়
দরজার দিকে, তখন মামা দেখতে পেলেন
দরজার কাছে যেতেই
কুকুরটি নাই (উদাউ/
গায়েব) হয়ে গেল ! পরদিন
সকালে মামা খুজতে লাগলেন জ্বীনটি কোন
দিক
থেকে ডুকেছে ।
মামা খুজে পেলেন
জ্বীনটি ডুকেছিল bathroom/টয়লেটের
চালার ফাঁকা অংশ দিয়ে । তাদের
বাথরুম সব সময়
সেঁতসেঁতে থাকে,
তো জ্বীন বাথরুম
দিয়ে ডুকেছে। এটা জ্বীনের পায়ের ছাপ
দেখে বুঝা গিয়েছিল

মামা মেপে দেখলেন
সাধারন মানুষের
তুলনায় ঐ জ্বীনের পা দ্বিগুন বড় ছিল । ঐ দিন কাউ কে কিছু
বললেন নি ।
তারা পরে সিলেটের
উদ্দেশ্যে রওনা দেন,
মাজারে সিন্নি দিয়ে পরে তারা সিলেটে
ফুলতলি সাহেবের বড় ছেলের
কাছে গেলেন
উনি রোগীকে দেখলেন
এবং দেখে আসতে বলেন

মামা আপুকে বাড়িতে নিয়ে এলেন । আসার পর ঐ
দিন
রাতেই আপু
(যাকে তাবিজ
করা হয়েছিল)
স্বপ্নে দেখলেন তাবিজ কোন কোন জায়গায় আছে ।
পরে এক এক
করে প্রায় ৮
টি থেকে ১০
টি তাবিজ তুলা হয়
বিভিন্ন জায়গা থেকে। বিশেষ করে আপু
যে যে জায়গা বেশি ব্যবহার
করতেন সে সব
জায়গায় তাবিজ
গারা (রাখা) হয়েছিল ।
পরে তিনি আস্তে আস্তে ভাল হতে থাকেন । এখন
আপুটি পুরোপুরি ভাল
আছেন ।
জ্বীনটি কেন সিন্নি নষ্ট
করতে এসেছিল
তা আমাদের জানা নেই । আমার
আরও ঘটনা আছে।
যদি এই ঘটনাটি আপনাদের
কাছে ভাল লাগে,
তবে আমি আমার
বাকি যে ঘটনাগুলো আছে সেগুলো শেয়ার
করব।।

"আলোর পথ"-এ প্রকাশিত গল্পসমূহ ও লেখনী মূলত পাঠক, শুভাকাংখী এবং সম্মানিত আবেদনকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এই কনটেন্টগুলোর উপর আমরা কোনো মেধাসত্ত্ব (copyright) দাবি করি না। যদি কোনো গল্প, ছবি বা তথ্যের কপিরাইট সংক্রান্ত বিষয়ে আপনার প্রশ্ন, সংশয় বা আপত্তি থাকে, তাহলে অনুগ্রহ করে আমাদের যোগাযোগ পৃষ্ঠায় যোগাযোগ করুন। আমরা যথাযথ আইনানুগ পদ্ধতিতে বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সম্পর্কিত পোস্ট

দুঃখিত!